Pages

ফ্রান্সের শক্তির উৎস কোথায় ? The Power-House of France

ফ্রান্সের শক্তির উৎস কোথায়?

ফ্রান্সকে দমাতে হলে দরকার তার শক্তির মূল উৎস আফ্রিকার দেশগুলোকে ফ্রান্সের উপনিবেশ হতে মুক্ত করা।আফ্রিকায় ফ্রান্সের ঘৃণ্য পলিসি নিয়ে আজকের এই লিখা।পুরোটা পড়লে অবাকই হবেন যে একবিংশ শতাব্দীতেও এমন নিকৃষ্ট উপনিবেশ কিভাবে চলে তা দেখে।

আফ্রিকা!  ফ্রান্সের রান্নাঘর।

উপনিবেশিক আমলে আফ্রকিার ২৪ টি দেশে ফ্রান্স তার কলোনি স্থাপন করেছিলো।দেশগুলো হলোঃ

ক) উত্তর আফ্রিকাঃ  আলজেরিয়া, মরক্কো, তিউনিসিয়া

খ)সাহিল অঞ্চল বা পশ্চিম আফ্রিকাঃ              মৌরতানিয়া, মালি, চাদ, নাইজার, সেনেগাল, টোগো বেনিন, বুর্কিনা ফাসো, আইভরিকোষ্ট, গিনি।

গ)মধ্য আফ্রিকাঃ ক্যামেরুন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো (রিপাবলিক), গ্যাবন

ঘ)পূর্ব আফ্রিকাঃ জিবুতি, কমোরোস, মাদাগাস্কার।

উল্লিখিত কলোনিগুলোর বেশিরভাগকেই ফ্রান্স ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা প্রদান করে।মোটামুটি ১৯৮০ সালের মধ্যেই সব আফ্রিকান দেশকে ফ্রান্স স্বাধীনতা দিয়ে দেয়।

তাহলে আজ ৪০-৫০ বছর পরও আমি কেনো বলছি আফ্রিকাকে লুটে খাচ্ছে ফ্রান্স? আসুন ভিতরের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করি।ব্রিটিশরা তাদের কলোনিগুলোকে স্বাধীনতা প্রদানের সময় আর কোনো চুক্তি করেনি।শর্তহীন স্বাধীনতা প্রদান করা হয় ব্রিটিশ কলোনিগুলোকে।কিন্তু ফ্রান্স আফ্রিকার সবগুলো দেশকে শর্তহীন স্বাধীনতা প্রদান করে নি।

ফ্রান্স তার কলোনিগুলোকে স্বাধীনতা প্রদানের সময় দুর্বল দেশগুলোর সাথে অর্থনৈতিক,সামরিক কিছু চুক্তি করে।আর এই চুক্তির গ্যাঁড়াকলে পড়ে দেশগুলো প্রতিনিয়তই হারাচ্ছে তাদের স্বকীয়তা।


#ফ্রান্সের_অর্থনৈতিক_শোষণ

ফ্রান্স আফ্রিকায় তার কলোনিগুলোকে স্বাধীনতা প্রদানের সময় দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এক অর্থনৈতিক ফাঁদ তৈরি করে। ফ্রান্স রাষ্ট্রগুলোর সাথে চুক্তি করে যে,তারা তাদের অর্জিত আয়ের সবটাই রাখবে FCFA (  franc for france african) নামক ব্যাংকে। এই FCFA তে আফ্রিকার ১৪ টি দেশ তাদের সব জাতীয় আয় জমা রাখে।দেশগুলো হলোঃ

(১ম আটটি দেশ পশ্চিম আফ্রিকান ফ্রাংক মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করে আর পরের ছয়টি দেশ মধ্য আফ্রিকান ফ্রাংক মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করে। )

১)টোগো
২)বেনিন
৩)বুর্কিনা ফাসো
৪)গিনি বিসাউ
৫)সেনেগাল
৬)আইভরিকোষ্ট
৭)মালি
৮)নাইজার
৯)চাদ
১০)ক্যামেরুন
১১)মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র
১২)কঙ্গো (ব্রাজাভিলা)
১৩)নিরক্ষীয় গিনি
১৪)গ্যাবন।

ইতালির ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টারের মতে,ফ্রান্সের এই মুদ্রাভিত্তিক শোষণ আফ্রিকার মানুষকে বাধ্য করছে দেশ ত্যাগ করতে।তারা ইউরোপে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে।এর ফলে দেখা যায় ভূমধ্য সাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় নিহতের ঘটনায় বেশিরভাগই FCFA-র অধিভুক্ত দেশের নাগরিক( ৩ নং ফটো)

#FCFA_কূটকৌশল

FCFA ভুক্ত প্রতিটি দেশ মুদ্রা হিসেবে ফ্রাংক ব্যবহার করে,যার নাম Currency of Franc for African সংক্ষেপে CFA। এর পাশাপাশি আফ্রিকার দেশগুলো তাদের সব সম্পদ FCFA তে জমা রাখতে বাধ্য। কিন্তু যখন খরচ করবার প্রয়োজন পড়ে তখন মাত্র ১৫% টাকা তারা উত্তোলন করতে পারবে।এরচেয়ে বেশি দরকার হলে আফ্রিকার দেশগুলোকে নিজেদের টাকা নিজেদেরকেই ঋণ নিতে হবে FCFA থেকে।আবার এই ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কখনো ২০% এর বেশি হতে পারবে না।আর সুদও দিত হবে কমার্শিয়াল রেটেই!

আফ্রিকান দেশগুলোর জমাকৃত টাকার ৬৫% ই FCFA খরচ দেখায় অপারেশনাল খাতে।FCFA মোট জমাকৃত টাকার ৮০% এর ও বেশি বিনিয়োগ করে নিজেদের নামেই। এ বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত লাভের কোনো হিসাব কখনোই কোনো আফ্রিকান দেশকে দেওয়া হয় না!ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার FCFA এর রিজার্ভে আছে।

#কলোনিয়াল_ঋণ

কলোনি থাকার সময় ফ্রান্স আফ্রিকার দেশগুলোতে কিছু কিছু অবকাঠামো নির্মাণ করেছিলো। ঐ অবকাঠামোর খরচ দেখানো হয়েছিলো স্ব স্ব দেশের সরকারের খাত দিয়ে।বলা বাহুল্য, সব খরচই আফ্রিকান দেশগুলোর সরকারী ঋণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।ফলশ্রুতিতে ঋণদাতা দেশ ফ্রান্সকে ঐ ঋণগুলো এখনও পরিশোধ করতে হচ্ছে স্বাধীন সার্বভৌম (!) আফ্রিকার দেশগুলোকে।

এরকম অসভ্যতা অন্য কোনো কলোনিয়াল শক্তি করেনি।ব্রিটিশ তো ভারতে অনেক অবকাঠামো নির্মাণ করেছে।যেমনঃ রেললাইন,কার্জন হল সহ আরো অনেক কিছু।তারা একটাকাও ঋণ দেখায়নি।অপরদিকে ফ্রান্স কলোনিয়াল আমলে শোষণ তো করছেই এখনও ঐ শোষণের সুদ নিতে চাচ্ছে! মানে এক গরু দুইবার জবাই।

#প্রাকৃতিক_সম্পদ_অনুসন্ধান

পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার দেশগুলো যখন ফ্রান্সের  কলোনি থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে তখন ফ্রান্স সে দেশগুলোর সাথে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের এক অসম চুক্তি সম্পাদন করে।চুক্তি অনুযায়ী কলোনিয়াল দেশগুলোর সব খনিজ সম্পদ উত্তোলনের প্রাথমিক দাবিদার হবে ফ্রান্স।ফ্রান্স যদি কখনো আগ্রহ না দেখা,তখনই কেবল সে দেশগুলো অন্য কোনো দেশ দিয়ে খনিজ সম্পদ উত্তোলন করতে পারবে!

বিগত শতাব্দীতে পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার এই দেশগুলোতে একের পর এক খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সন্ধান মিলেছে। গত ৫০ বছরে আফ্রিকার বুকে একের পর এক প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের খনি আবিস্কৃত হয়েছে।  ফ্রান্সের সাথে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধানের চুক্তিতে আবদ্ধ অন্য দেশগুলোতেও ডায়মন্ড,স্বর্ণ,আয়রন,টিম্বার সহ অন্যান্য মূল্যবান খনিজ সম্পদের ব্যাপক মজুদ বিদ্যমান।

গ্যাবনে আছে বিশাল ইউরেনিয়ামের মজুদ। আর ফ্রান্সের নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরগুলোর জন্য দরকার এই ইউরেনিয়াম।

ওমারের মৃত্যুর পর আজও গ্যাবনের ক্ষমতায় আছে তার ছেলে আলি ওমার বঙ্গো। ফ্রান্সের প্রতি তাদের আনুগত্যের বিষয়টা প্রকাশ পায় ওমার বঙ্গোর একটা উক্তি থেকে। যেখানে জ্যাক শিরাক(সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট)  নিজেই আফ্রিকাকে শোষণের কথা স্বীকার করেছিলেন, সেখানে বঙ্গো বলেছিলেন, “গ্যাবনকে ছাড়া ফ্রান্স হচ্ছে ড্রাইভার ছাড়া গাড়ির মতো, আর ফ্রান্সকে ছাড়া গ্যাবন হচ্ছে জ্বালানী ছাড়া গাড়ির মতো।” অথচ বাস্তবে ফ্রান্সই দশকের পর দশক ধরে গ্যাবনের কাছ থেকে ইউরেনিয়াম জ্বালানি আদায় করে নিচ্ছে অত্যন্ত সুলভ মূল্যে।

এছাড়াও মালি,নাইজার,চাদ,টোগো,বেনিন,কঙ্গোর মাটির নিচে থাকা স্বর্ণ,ডায়মন্ড,আয়রন,পেট্রোলিয়ামসহ সকল খনিজ সম্পদ একচেটিয়াভাবে উত্তোলন ও ভোগ করে যাচ্ছে ফ্রান্স।

আর তাইতো সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেঁরা ১৯৫৭ সালে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, আফ্রিকার উপর নিয়ন্ত্রণ টিকিয়ে রাখতে না পারলে একবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে ফ্রান্সের কোনো জায়গা থাকবে না। পাঁচ দশক পর তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক ২০০৮ সালে সেটা আবারও নিশ্চিত করে বলেছিলেন, আফ্রিকা না থাকলে ফ্রান্স তৃতীয় বিশ্বের তালিকায় ছিটকে পড়ত।

#অবকাঠামো_নির্মাণ

ফ্রান্সের সাথে চুক্তিবদ্ধ এই দেশগুলোর সাথে অবকাঠামো নির্মাণ নিয়েও ফ্রান্স একতরফা সুবিধা ভোগ করছে।এই দেশগুলোর সরকারী ভবন নির্মাণ, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাসের পাইপলাইন নির্মাণসহ সকল সরকারী কাজে প্রধান প্রায়োরিটি পায় ফরাসী কোম্পানিগুলো।

উদাহরন হিসেবে বলা যায়,আইভরিকোষ্টে একটা বাঁধ নির্মাণে চীনা এক কোম্পানি আগ্রহ দেখায় সবচেয়ে কম মূল্যে।বিপরীতে একবফরাসী কোম্পানি খরচ দেখায় চীনা কোম্পানির দ্বিগুণ।নিয়মানুযায়ী কাজটা পাওয়ার কথা চীনা কোম্পানি। কিন্তু না,কাজটা পায় ফরাসী কোম্পানি।

এভাবে প্রতিবছর অবকাঠামো নির্মাণ সংক্রান্ত কাজে কোটি কোটি ডলার অবৈধভাবে উপার্জন করছে ফরাসি কোম্পানিগুলো।


ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক ক্ষমতার সঙ্গে তাল না মিলিয়ে স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলায় কিংবা স্বাধীন থাকতে চাওয়ায় ১৯৬৩ সাল থেকে ২২ জন আফ্রিকান প্রেসিডেন্টকে হত্যা করেছে ফ্রান্স। দেশটির চক্রান্তের শিকার হয়ে প্রাণ হারানো এসব প্রেসিডেন্টের তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হওয়া নাম মুয়াম্মর গাদ্দাফি।

এসব হত্যা কিংবা অভ্যুত্থান ঘটানোর পেছনে ছিল ফ্রান্সের তিনটি গোয়েন্দা সংস্থা।
আর এই সংস্থাগুলো হলো এসডিইসিই, ডিজিএসই এবং ডিএসটি। এগুলোই আফ্রিকায় অভ্যুত্থান ঘটানো এবং মহাদেশটির বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্টকে হত্যার জন্য দায়ী বলে উল্লেখ করে এক উপ-সম্পাদকীয় প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আফ্রিকান গ্লোব।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নিজেকে ফ্রান্সের একমাত্র নেতা দাবি করা চার্লস ডি গলের আমল থেকেই ফ্রান্স কর্তৃপক্ষ আফ্রিকানদের সঙ্গে এমনটি করে আসছেন। ফ্রান্সের সরাসরি মদদে আফ্রিকায় যে পরিমাণ অভ্যুত্থান হয়েছে তাতে দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করা যেতেই পারে বলে ওই উপ-সম্পাদকীয়তে পরামর্শ দেয়া হয়।

ফ্রান্স আফ্রিকায় যেভাবে হত্যা এবং লুটপাট করেছে সে সম্পর্কীয় বিভিন্ন ডকুমেন্টারি আফ্রিকান এবং ফ্রান্সের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে হরহামেশাই প্রচার করা হয়। ফ্রান্সের এসডিইসিই আফ্রিকাতে বিভিন্ন ভুয়া তথ্য ছড়ানোর জন্য কাজ করে থাকে।

আফ্রিকাকে নিজেদের অধীনে রাখতে সর্বক্ষণ কাজ করে যাচ্ছে ফ্রান্সের গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএসই। ডিএসটি নামের অপর একটি সংস্থা কাজ করে ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ ও বাহিরের নিরাপত্তা রক্ষায়। ফ্রান্স যাতে অভিবাসী সমস্যায় না পড়ে সেজন্যও কাজ করে এই সংস্থাটি। ডিজিএসই, ডিএসটি এবং এসডিইসিই নামের সংস্থাগুলো ছাড়া ফ্রান্সের মিলিটারি ইন্টিলিজেন্স আফ্রিকার বিভিন্ন সংঘর্ষে অপপ্রচার চালাতে কাজ করে।

মূলত চারটি সুফলের কারণে ডি গল কখনোই আফ্রিকার পূর্ণ স্বাধীনতা চাননি। এর প্রথম কারণ হচ্ছে, জাতিসংঘে ফ্রান্সের পক্ষে ভোট দেয়া দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি। দ্বিতীয়ত, আফ্রিকার তেল, ইউরেনিয়াম, স্বর্ণ, কাঠ ও কোকোয়া বাজেয়াপ্ত করা। তৃতীয়ত ফ্রান্সের রাজনীতিতে অর্থায়ন। চতুর্থত যুক্তরাষ্ট্রের অনুচর হয়ে আফ্রিকাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।মূলত এই চারটি কারণে ফ্রান্স এমন একটি জাল তৈরি করেছে যা তার ঔপনিবেশিক ক্ষমতাকে ক্ষুণ্ণ না করে। এই কারণে আফ্রিকায় এখনও রক্ত ঝরছে।

#সামরিক_ঘাঁটি

আফ্রিকায় নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করার লক্ষ্যে ফ্রান্স এখানকার দেশগুলোতে নিয়মতি সেনা অভিযান পরিচালনা করে।এর পাশাপাশি তার ৫ টি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি আছে আফ্রিকার বুকে।সেনেগাল,গ্যাবন,জিবুতি,রিইউনিয়ন,মায়োতি'তে ৫ টি স্থায়ী ঘাঁটির পাশাপাশি আরো কিছু দেশে ফ্রান্সের সৈন্য উপস্থিতি বিদ্যমান।
মৌরতানিয়া,বুর্কিনা ফাসো,নাইজার,মালি,চাদ,আইভরিকোষ্ট, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, ক্যামেরুন এমনই কয়েকটি হতভাগা দেশ!

#টোগো

টোগোতে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি সিলভানাস অলিম্পিওক ফ্রান্সের শোষণের বেড়াজাল ও বিভিন্ন অসম চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছিলেন।এর কিছুদিন পরেই তার বিরুদ্ধে এক অভ্যুত্থানের পর ১৯৬৩ সালের ১৩ জানুয়ারি হত্যা করা হয়। সেখানে ফ্রান্সের সরাসরি মদদ ছিল বলে স্বীকর করা হয়। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেয়া এতিয়েন আইয়াদেমা এরপর প্রায় চার দশক ক্ষমতায় ছিলেন।এতিয়েন আইয়াদেমা তার চার দশকের শাসনামলে মূলত টোগোকে ফ্রান্সের গুদামঘরে পরিণত করেছেন।

#নাইজার

ফ্রান্স নাইজার থেকে যেই দামে ইউরেনিয়াম কিনত তার চেয়ে বেশি দামে অন্য দেশে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশটির নেতা হামানি ডিওরি। তবে এই ঘোষণার জন্য তাকে জীবন দিতে হয়েছিল। কারণ ওই ঘোষণার পর নাইজারে অভ্যুত্থান হয় এবং তাকে হত্যা করা হয় নৃশংসভাবে। এভাবে মহাদেশের একের পর এক নেতার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটানোর পেছনে মদদ দান ও সরাসরি হত্যায় অংশ নেয় ফ্রান্স।

#রাজনৈতিক_হত্যাকান্ড

ফ্রান্সের পুতুল হতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই মহাদেশটির একের পর এক নেতাকে হত্যা করা হয় ।
যেসব আফ্রিকান প্রেসিডেন্টের ঘাতক ফ্রান্স:

১. ১৯৬৩ সালে টোগোর প্রেসিডেন্ট সিলভানাস অলিম্পিওকে।
২. ১৯৬৬ সালে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট জন-আগুয়ই ইরনসিকে।
৩. ১৯৬৯ সালে সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট আব্দিরাখিদ-আলি শর্মেককে।
৪. ১৯৭২ সালে জানজিবারের প্রেসিডেন্ট অ্যাবিড-আমানি কারুমকে।
৫. ১৯৭৫ সালে মাদাগাস্কারের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড রত্সিমন্দ্রাভকে।
৬. ১৯৭৫ সালে চাদের প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সোইস-এনগার্টা টম্বলবায়েকে।
৭. ১৯৭৬ সালে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুরতলা-রামাত মোহামেডকে।
৮. ১৯৭৭ সালে কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট মারিয়েন জিউবাইকে।
৯. ১৯৭৭ সালে ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্ট তিফেরি বান্তিকে।
১০. ১৯৮১ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার এল-সাদেতকে।
১১. ১৯৮১ সালে লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রিচার্ড তোলবার্তকে।
১২. ১৯৮৭ সালে বার্কিনো-ফাসোর প্রেসিডেন্ট থমাস শঙ্করকে।
১৩. ১৯৮৯ সালে কোমোরসের প্রেসিডেন্ট আহম্মেদ আবদাল্লাকে।
১৪. ১৯৮৯ সালে লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট শামুয়েল-ক্যানিয়ন ডিওকে।
১৫. ১৯৯২ সালে আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মেদ বোদিয়াফকে।
১৬. ১৯৯৩ সালে বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট মেলচিয়ার এনডেডায়কে।
১৭. ১৯৯৪ সালে বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট সাইপ্রিন এন্টারিয়ামিরকে।
১৮. ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট জুভেনাল হাবিয়ারিমানাকে।
১৯. ১৯৯৯ সালে নাইজারের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বারে-মেইনাসারাকে।
২০. ২০০১ সালে কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট লরেন্ট-ডিজায়ারড কাবিলাকে।
২১. ২০০৯ সালে গিনি বিসাউয়ের প্রেসিডেন্ট বার্নার্ডো ভায়েরাকে।
২২. ২০১১ সালে লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মর গাদ্দাফিকে।

এছাড়া ২০১৩ সাল থেকে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নাম করে "সাহিল অঞ্চল" তথা মালি,মৌরতানিয়া,নাইজার ও চাদে ফ্রান্স তার ব্যাপক শক্তি প্রদর্শনের মহড়া দিচ্ছে যাতে করে ফ্রান্সের এই উপনিবেশের বিরুদ্ধে কোনো আফ্রিকান আঙুল তুলতে না পারে।

#ফরাসি_ভাষা_আগ্রাসনঃ

ফরাসি ভাষা বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম ভাষা।অথচ ফ্রান্সের বাইরে ফরাসি জাতির উপস্থিতি কানাডা ছাড়া আর কোথাও তেমন নাই।তাহলে ফরাসি ভাষার এমন বুস্টিং কেমনে সম্ভব হলো?

ফরাসি ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর ৮০% ই হলো আফ্রিকার জনগণ।কলোনি থাকাকালীন ফ্রান্স এসব দেশের স্থানীয় ভাষাকে বাদ দিয়ে ফরাসি ভাষায় সবকিছু চালু করে।আর দরিদ্র আফ্রিকার মানষ যেখানে খেতেই পারে না ঠিকমত,সেখানে মাতৃভাষার রাষ্ট্রীয়করণ নিয়ে চিন্তা তো জাস্ট বিলাসিতা!

মোট ২১ টি আফ্রিকান দেশের রাষ্ট্রভাষা হলো ফরাসি।রাষ্ট্রগুলো হলোঃ

১)মালি
২)নাইজার
৩)বেনিন
৪)বুর্কিনা ফাসো
৫)আইভরিকোষ্ট
৬)গিনি
৭)টোগো
৮)সেনেগাল

৯)চাদ
১০)মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১১)ক্যামেরুন
১২)কঙ্গো(গণতান্ত্রিক)
১৩)কঙ্গো(রিপাবলিক)
১৪)গ্যাবন
১৫)নিরক্ষীয় গিনি

১৬)জিবুতি
১৭)মাদাগাস্কার
১৮)কমোরোস
১৯)বুরুন্ডি
২০)রুয়ান্ডা
২১)সিচেলিস

এছাড়াও আলজেরিয়া,তিউনিসিয়া, মরক্কো, মৌরতানিয়াসহ আরো কয়েকটি আফ্রিকান দেশের বাণিজ্যিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় ফ্রান্স। ফরাসি রাষ্ট্রভষার মর্যাদা পেয়েছে বিশ্বের ২৯ টি রাষ্ট্রে,তার মধ্যে ২১ টিই রাষ্ট্র হলো আফ্রিকান!

ভাষার মাধ্যমে ফ্রান্স আফ্রিকায় তার উপনিবেশ চালাতে ব্যাপক সুবিধা লাভ করে।আফ্রিকার মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর হাজার হাজার স্কলারশিপ প্রদান করে ফ্রান্স সরকার। আর এই  মেধাবীরা দেশে গিয়ে ফ্রান্সের প্রভুত্ব টিকেয়ে রাখার দীক্ষাটাও পেয়ে থাকে ফ্রান্সে শিক্ষা নিতে গিয়ে।

সর্বোপরি, আফ্রিকার বেশিরভাগ মানুষেরই মাতৃভাষা হলো সাহিলি,আরবিসহ অন্যান্য উপজাতিক ভাষা।কিন্তু শিক্ষা, চাকরি,বাণিজ্য সর্বক্ষেত্রে ফরাসি ভাষার ব্যবহার আফ্রিকানদের চূড়ান্তভাবে নিঃশেষ করে দিচ্ছে।

আর আফ্রিকানদের এই রক্ত চোষার মধ্য দিয়েই ফ্রান্স হয়ে উঠেছে বিশ্বের বৃহৎ পরাশক্তি। আর সেই শক্তিবলে তারা নিয়মিত অপমান করে চলছে ইসলামকে।তাই আমাদের উচিত ফ্রান্সের উপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।তবেই ফ্রান্সকে থামানো সম্ভব।


★ লিংক: ইসলামিক লাইব্রেরি PDF (Google Drive)

bcspedia.blogspot.com

১। স্বপ্ন যাদের বিসিএস – অভিজ্ঞদের পরামর্শ


২। বিসিএস নিয়ে প্রচলিত ১০ ভুল ধারণা


৩। বিসিএস (প্রশাসন)-কে কেন সকল ক্যাডার এর রাজা বলা হয়


৪। যদি কূটনীতিক হতে চাও


৫। বিসিএস প্রিলিমিনারি - বাংলা


৬। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে ২৫ পরামর্শ


৭। ইংরেজির ভয় করতে জয় যা মানতে হয়


৮। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: ইংরেজি সাহিত্য


৯। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: গণিত


১০। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি


১১। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি


১২। সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ অংশে ভালো করার উপায়


১৩। সাধারণ জ্ঞানে অসাধারণ হওয়ার কৌশল


১৪। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নিয়ে কিছু কথা


১৫। বিসিএসের প্রস্তুতি: গাণিতিক যুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি


১৬। ভূগোল ও নৈতিকতায় ভালো করতে চাইলে


১৭। বিসিএসের বই পড়াই সব নয়


১৮। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে



https://english-grammarblog.blogspot.com/2020/08/effective-sentence.html
https://english-grammarblog.blogspot.com/2022/03/all-about-completing-sentences.html
https://english-grammarblog.blogspot.com/2020/12/rules-of-changing-voice-active-to-passive.html
https://www.google.com/search?q=site%3Aenglish-grammarblog.blogspot.com
★ From Google Drive —

BCS Exam Syllabus (Download Now):

BCS Preliminary Test 

Download PDF

BCS Written Exam

Download PDF

https://bcspedia.blogspot.com/2022/04/preposition-shortcut-rules-techniques.html

https://bcspedia.blogspot.com/2020/10/blog-post_222.html

https://t.me/englishgrammarblog

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/full-guidelines-for-bcs-written-examination.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/1st-world-war-and-2nd-world-war.html

https://bcspedia.blogspot.com/search/label/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%20-%20Motivation

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/why-do-muslims-commit-terrorism.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/01/transformation-of-sentences.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/bcs-preliminary-test-last-minute-preparation-and-suggestion.html

🔔

https://bcspedia.blogspot.com/search/label/Earn%20Money

 

👍 CATEGORIES ⚝⚝⚝

#ওসমানি #আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান #মিশর #Egypt ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ১. হ্যান্ডনোট এবং তথ্যবহুল চিত্র ১০. নৈতিকতা মূল্যবোধ ও সুশাসন ১১. বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২. ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য ৩. বাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ৪০০টি প্রশ্নোত্তর: কম্পিউটার এবং কম্পিউটার-প্রযুক্তি 43rd BCS ৫. ভাইভা বোর্ড ৫. ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ৫২ থেকে ৭১ ৬. সাধারণ বিজ্ঞান ৭ মার্চ ৭. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ৮. গাণিতিক যুক্তি ৯. মানসিক দক্ষতা অনুপ্রেরণা অনুপ্রেরণা - Motivation আইনকানুন আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক চুক্তি আন্তর্জাতিক বিষয়: সীমারেখা আন্তর্জাতিক সীমারেখা আপডেট আপডেট তথ্য আবিষ্কার ও আবিষ্কারক আলোচিত ১১ জন কবি-সাহিত্যিক ও তাঁদের রচনাবলী ইংরেজি ইংরেজি সাহিত্য উপাধি ও ছদ্মনাম এটর্নি জেনারেল এবার যাদের প্রথম বিসিএস কম্পিউটার কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি গণিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম গুরুত্বপূর্ণ শব্দ পরিচিতি চর্যাপদ চর্যাপদের কবিগণ জাতীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের শাখা এবং জনক জ্যামিতিক সূত্র দেশী বিজ্ঞানীরা নদ-নদী নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ পত্রিকা এবং ছদ্মনাম পদ প্রকরণ পররাষ্ট্রনীতি পরামর্শ পরামর্শ V. V. V. I. পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিমিতির (Mensuration) সূত্রাবলিসমূহ পাঁচমিশালী তথ্য + সাধারণ জ্ঞান পারিভাষিক শব্দ পুরাতন ও নতুন নাম প্রতিশব্দ প্রথম প্রকাশিত প্রস্তুতিহীন বিসিএস যাত্রা ফলা এবং যুক্তাক্ষর ফাঁদ প্রশ্ন ফিলিস্তিন Palestine ফ্রান্সের ইসলাম-বিদ্বেষ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বাংলা বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যের মিলবন্ধন বাংলা ব্যাকরণ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বাংলা শব্দার্থ বাংলা সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের দুই মহারথী বাংলাদেশ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাগধারা বানান শুদ্ধিকরণ বিগত পরীক্ষাসমূহ বিপ্লব বিভক্তি বিসিএস পরামর্শ বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতি বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ভাষা আন্দোলন ভূগোল ভৌগোলিক উপনাম ভ্যাকসিন কূটনীতি এবং বাংলাদেশ মডেল টেস্ট মডেলটেস্ট মহাকাশ মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্যকর্ম মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বপূর্ণ খেতাব মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্যভাণ্ডার যুক্ত বর্ণ লিখিত গাইডলাইন লিখিত পরীক্ষা লেখা ও লেখক শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি ও পরামর্শ শ্রেষ্ঠ বাঙালি ✏️✏️ সংবিধান সংবিধান সংশোধনী সদর-দপ্তর সভ্যতা সমাস সাজেশন সাধারণ জ্ঞান সাধারণ বিজ্ঞান সাম্প্রতিক সাহিত্য-উৎসর্গ সাহিত্যিক সাহিত্যে কনফিউশন স্থাপত্য ও স্থপতি স্পোকেন ইংলিশ All Things Review Bangladesh Constitution BCS Preliminary Question Analysis BCS Preparation Special Episodes BCS Questions Earn Money Eat Chew Drink Take Have ? English Grammar English Grammar Exercises with Answers English Grammar Test English Literature Essay Writing General Science ICT Idioms and Phrases International financial institutions Love Stories in Literature Nobel Prize One Word Substitution Preposition Quiz Redundancy বাহুল্য (দোষ) Shortcut to Preposition Spoken English Terrorism Transformation of Sentences 👍 Translation United Nations Vocabulary Warrant of Precedence World Wars

এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ:


Literary Terms 


1. Simile (উপমা):

দুটি আলাদা বস্তু বা দুইজন ব্যক্তির মধ্যে as, like, resemble, the same as ইত্যাদি শব্দগুলাের উল্লেখ করে সরাসরি তুলনা করাকে simile বলে। 

Example -

• I wandered lonely as a cloud. 

• Youth (is) like summer morn.

• My heart is like a singing bird. 

• He is as cunning as a fox. 


2. Metaphor (রূপক):

দুটি আলাদা বস্তু বা দুইজন ব্যক্তির মধ্যে comparision এর শব্দসমূহ (যেমন: as, such, like ইত্যাদি) ব্যবহার না করেই তুলনা করাকে metaphor বলে। 

Example -

• Liza is a rose.

• Life is but a walking shadow. 

• Nazrul is fire.

• My brother was boiling mad. 


Note: একই জাতীয় বিষয়বস্তুর মধ্যে তুলনা হলে ......... Read More 


📓 পুরো আর্টিকেল/পোস্টটি পড়ুন