Pages

পরামর্শ V. V. V. I. লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পরামর্শ V. V. V. I. লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৭ দিনের সাজেশন স্টাডি প্ল্যান

১৬তম নিবন্ধনের রিভিশন প্ল্যান°°°°°°
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
____||| ৭ দিনের সাজেশন স্টাডি প্ল্যান |||____

কিছু কথাঃ
★সাধারণত প্রতারক শ্রেণির মানুষ অল্প কিছু সিট ধরিয়ে সাজেশন নামে বিক্রি করে। মনে রাখবেন, তাদের বিলিভ করলেন তো ঠকলেন। আধুনিক যুগের টকবগে তরুণ তরুণী হয়ে আপনি এদের ফাঁদে পা দিবেন বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

★৭ দিনে অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিকস রিভিশন দেওয়ার যেন সম্ভব হয় সেই ভাবেই সাজানো হয়েছে। যেন আপনি একবার চোখ বুলিয়ে যেতে পারেন। এতে করে পরীক্ষাতে কনফিউশন হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়।

যাই হোক কাজে নেমে পড়ি। কথা বাড়িয়ে লাভ নেই৷ মনে রাখবেন বিস্তারিত পড়ার প্রয়োজন নেই। গুরুত্বপূর্ণ টপিকসের উপর জাস্ট চোখ বুলিয়ে যেতে হবে।

___________[ ১ম দিনের রিভিশন ]______________
বাংলাঃ ১। বাগধারা ও বাগবিধি।
২। ভাষারীতি ও বিরাম চিহ্নের ব্যবহার।
ইংরেজিঃ Change of Parts of speech
গণিতঃ বীজগণিতঃ বীজগণিতের সূত্রাবলী
সাধারণ জ্ঞানঃ ভাষা আন্দোলন, জনসংখ্যা ও উপজাতি




___________[ ২য় দিনের রিভিশন ]______________
বাংলাঃ ১। বানান ও বাক্য শুদ্ধিকরণ
২। লিঙ্গ পরিবর্তন
ইংরেজিঃ Right form of Verbs
গণিতঃ বীজগণিতঃ উৎপাদক, গসাগু, সূচক লগারিদম
সাধারণ জ্ঞানঃ মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত তথ্য




___________[ ৩য় দিনের রিভিশন ]______________
বাংলাঃ ১। সন্ধি
২। বিপরীতার্থক শব্দ
ইংরেজিঃ Transformation of Sentence
গণিতঃ জ্যামিতিঃ রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ
সাধারণ জ্ঞানঃ বাংলাদেশের অর্থনীতি, সরকার ও রাজনীতি, সম্পদ




___________[ ৪র্থ দিনের রিভিশন ]______________
বাংলাঃ ১। কারক ও বিভক্তি
২। সমাস
ইংরেজিঃ Completing sentence
গণিতঃ পাটিগণিতঃ গড়, লসাগু, গসাগু
সাধারণ জ্ঞানঃ জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ। জাতিসংঘ।




___________[ ৫ম দিনের রিভিশন ]______________
বাংলাঃ ১। এক কথায় প্রকাশ
ইংরেজিঃ Idioms & Phrases ( 1/2)
গণিতঃ পাটিগণিতঃ শতকরা
সাধারণ জ্ঞানঃ ★ আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সংগঠন
★ মুদ্রা



। ___________[ ৬ষ্ঠ দিনের রিভিশন ]______________
বাংলাঃ ★ প্রত্যয়
★ সমার্থক শব্দ ( ৩ ভাগের ১ ভাগ)
ইংরেজিঃ Idioms & Phrases (বাকি অংশ)
গণিতঃ পাটিগণিতঃ সুদ কষা, লাভ ক্ষতি
সাধারণ জ্ঞানঃ স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান।




___________[ ৭ম দিনের রিভিশন ]______________
বাংলাঃ ১। সমার্থক শব্দ ( ৩ ভাগের বাকি ২ ভাগ)
ইংরেজিঃ অনুবাদ
গণিতঃ পাটিগণিতঃ অনুপাত সমানুপাত
সাধারণ জ্ঞানঃ রোগ ও ব্যাধি ও পরিবেশ

বিঃদ্রঃ ডিটেইলস নয়। গুরুত্বপূর্ণ এবং দাগানো অংশ পড়ুন। পরীক্ষাতে যে সব টপিকস থেকে বেশি বেশি প্রশ্ন আসে সে গুলোই বাছাই করা হয়েছে। সো এগুলো অবশ্যই দেখে যেতে হবে। এতে কনফিউশন হবে অনেক কম। সহজেই প্রিলি পাশ করতে পারবেন।

ধন্যবাদ
পাওয়ার সিরিজ

<3 আমরা অরিচেই NSI এর উপর স্টাডি প্ল্যান পরিচালনা করবো। এর জন্য সুন্দর একটি বুক লিস্ট দেবো৷ ২৬ তারিখের পর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা। NSI, তে প্রাইমারির মত প্রশ্ন হয়। তাই আপনার পড়া আছেই। আমরা জাস্ট রিভিশন দেবো।
------++------
Alton Ben

বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় পাস নির্ধারণ হয় কীভাবে?

বিসিএস পরীক্ষায় তিন ক্যাটাগরিতে আবেদন করা যায়।

১.জেনারেল ক্যাডার

২. টেকনিক্যাল ক্যাডার

৩. বোথ ক্যাডার।

আবেদন করার সময় আপনি যদি জেনারেল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। জেনারেল ক্যাডারে যে ছয়টি বিষয়ের ওপর ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।

১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি = ১০০ নম্বর

প্রতিটি ২০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৪ ঘণ্টা এবং প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা। প্রতিটি বিষয়ে পাশ নম্বর ৫০%। মজার বিষয় হলো, প্রতিটি বিষয়ে ৫০% মার্ক না পেলেও আপনি লিখিত পরীক্ষায় পাস করবেন। কীভাবে? ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

তবে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৩০% অর্থাৎ আপনাকে ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬০ নম্বর এবং ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে। এখন কথা হলো, কেউ যদি কোনো বিষয়ে ৩০% এর কম পান তাহলে তিনি কি ফেল করবেন? না, তিনি ফেল করবেন না। যে বিষয়ে তিনি ৩০% এর কম নম্বর পাবেন সেই বিষয়ের কোন নম্বর ওনার মোট নম্বরের সঙ্গে যোগ হবে না। মনে করুন, কোনো পরীক্ষার্থী সাধারণ বিজ্ঞান পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ২৯ নম্বর পেলেন, তাহলে ওনার এই নম্বর বাকি পাঁচটা বিষয়ের মোট নম্বরের সঙ্গে যোগ হবে না। ফলে সাধারণ বিজ্ঞানের এই ২৯ নম্বর বাদেই যদি পরীক্ষার্থী বাকি পাঁচটা বিষয়ে ন্যূনতম ৪৫০ নম্বর পান, তাহলে তিনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

আপনি যদি টেকনিক্যাল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন, তাহলেও আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। টেকনিক্যাল ক্যাডারে যে ছয়টি বিষয়ের ওপর ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।

১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। স্নাতকে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর

টেকনিক্যাল ক্যাডারেও ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। তাছাড়া জেনারেল ক্যাডারের জন্য যেসব নিয়ম প্রযোজ্য, টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

আপনি যদি উভয় (জেনারেল ও টেকনিক্যাল) ক্যাডারের জন্য আবেদন করে থাকেন, তাহলে আপনাকে মোট ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বোথ ক্যাডারে যে সাতটি বিষয়ের ওপর ১১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।

১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি= ১০০ নম্বর
৭। স্নাতকে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর

এখন কথা হলো,

যারা শুধু জেনারেল বা টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য পরীক্ষা দেবেন?

তাঁরা ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দেবেন এবং ৪৫০ নম্বর পেলেই ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। কিন্তু বোথ ক্যাডারদের তো ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে সে ক্ষেত্রে তাদের পাস নম্বর কত হবে?

বোথ ক্যাডারের ক্ষেত্রে প্রথমে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বর বিবেচনায় নেওয়া হবে। এই ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ নম্বর পান, তাহলে তিনি জেনারেল ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি= ১০০ নম্বর

এরপর উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর মধ্যে থেকে বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মোট ২০০ (১০০+১০০) নম্বর বাদ দিয়ে এগুলোর পরিবর্তে স্নাতক পর্যায়ে পঠিত বিষয়ের ২০০ নম্বর যোগ করুন। এবার নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ পান, তাহলে তিনি টেকনিক্যাল ক্যাডারের ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। স্নাতকে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর

এভাবে যদি তিনি একই সঙ্গে জেনারেল ক্যাডার এবং টেকনিক্যাল ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হোন, তাহলে তিনি বোথ ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

বোথ ক্যাডারে আবেদন করে ১১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে টেকনিক্যাল পরীক্ষায় (স্নাতকে পঠিত বিষয়) ফেল করলেও আপনার মোট নম্বর যদি ৫৫০ নম্বর হয়, তাহলে আপনি বোথ ক্যাডারেই পাস করবেন। আর ৪৫০ নম্বর হলে শুধু জেনারেল ক্যাডারে পাস করবেন। এভাবে বোথ ক্যাডারে আবেদন করে শুধু টেকনিক্যাল ক্যাডারেও পাস আসা সম্ভব। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, সব পরীক্ষায় আপনাকে উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই হবে।
//
Collected

প্রিলির জন্য আমি যেভাবে এগিয়েছিলাম…

মো. মাসুদুর রহমান
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
৩৭ তম বিসিএস

প্রিলির জন্য আমি যেভাবে এগিয়েছিলাম…

প্রথমত একটা কথা বলতে চাই – “সাকসেস হ্যাস নো শর্টকাট”, কেউ একজন ১ সপ্তাহ পড়ে প্রিলি পাশ করে গিয়েছেন এরকম গল্প অনেকের মুখে শুনলেও বাস্তবে সেই লোকটির সাক্ষাত খুব কমই পাওয়া যাবে। তবে হ্যাঁ, শর্ট প্রিপারেশন নিয়েও যে কারো কারো হয়নি তা কিন্তু না, কেননা প্রিলিটা যতখানি না প্রিপারেশনের তার থেকেও কিছুটা বেশী আমি বলব যে ভাগ্যের প্রসন্নতা। যাই হোক কাজের কথায় চলে আসি। নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে যে প্রিপারেশনগুলো আপনাদেরকে নিতে উৎসাহিত করবঃ

১। কোশ্চেন ব্যাংক সলভ করাঃ

এটা অবশ্যই করতে হবে, শুধু এন্সার না, ব্যাখ্যাসহ সবগুলো উত্তর ভালোকরে পড়তে হবে। এক্ষেত্রে আমি ২টি বই  ফলো করেছিলাম – অ্যাসিওরেন্স এবং প্রফেসর’স (২ বছরে ২ টা কিনেছিলাম)। সলভ করা প্রশ্নগুলো প্র্যাকটিস করবার জন্য আমি প্লে স্টোর থেকে বিসিএস এর কিছু এপ্লিকেশন নামিয়ে রেখেছিলাম, অবসর সময়গুলোতে সেই এপগুলোতে এক্সাম দিতাম। যে উত্তরগুলো ভুল হত সেগুলো বাসায় গিয়ে বই থেকে আবার ব্যাখ্যাসহ দেখে নিতাম।

২। বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিঃ

২-১। বাংলাঃ
ক। ড. সৌমিত্র শেখরের “বাংলা প্রশ্নের টীকা-ভাষ্য” নামে একটা বই ছিল, ১২০০ এর উপরে টিকা ছিল তখন ব্যাখ্যাসহ, যেটা শেষ করতে আমার সময় কম লেগেছিল এবং শেষ করার পরে কিছুটা আত্মবিশ্বাস পাচ্ছিলাম নিজের মধ্যে। একটা কথা বলে রাখি এখানে, বই এর সাইজ যত ছোটই হোকনা কেন, পুরো বই শেষ করতে পারার মধ্যে এক ধরনের সাইকোলজিক্যাল পজেটিভিটি কাজ করে, যেটা আমাকে অন্য আর একটা বই শেষ করার ব্যাপারে অনুপ্রেরণা দিত।

খ। সিলেবাস অনুযায়ী “৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা বোর্ড ব্যাকরণ” বইটি পড়েছি, এখানকার সব টপিক পড়তে হবে না, শুধু যে টপিকগুলো থেকে আগের বছরগুলোতে প্রশ্ন হয়েছে সেটা দেখলেই হবে।

গ। মহসিনা নাজিলার “শীকর বাংলা ভাষা এবং সাহিত্য” বইটা এখন ভালো করেছে, সৌমিত্র শেখরের টিকা ভাষ্য-এর থেকে এটি কলেবরে বড়, তবে অনেক তথ্যবহুল এবং সহজে পাঠ উপযোগী একটি বই।

২-২। ইংরেজীঃ
ক। “English for Competitive Exam” এটার থেকে ভাল বই পাওয়া কষ্টকর ছিল, কিন্তু বইটা অনেক বড়, শেষ করবার মত সুযোগ হয়ে উঠেনি, তবে এর থেকে বেছে বেছে অনেকগুলো টপিকস পড়েছি, যেগুলো বেশ উপকারে দিয়েছে।

খ। “A Handbook on English Literature” এবং “An Easy Approach to English Literature For BCS Preliminary” বইদুটো ইতিহাস পার্টের জন্য খুবই ভাল কাজে দিয়েছে, তবে কেনার আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে আপেডেটেড প্রশ্নগুলোর ব্যাখ্যাসহ উত্তর দেয়া আছে কিনা।

২-৩। দৈনন্দিন বিজ্ঞানঃ
মূলত “MP3 দৈনন্দিন বিজ্ঞান” বইটাই পড়েছি তবে ইউটিউবের বিজ্ঞানের বেশকিছু ভিডিও আছে যেগুলো হেল্পফুল ছিল, পড়তে পড়তে যখন বিরক্ত লাগত একটা দু’টা গান শোনা/দেখার পর এই ভিডিওগুলো দেখতাম, বিশ্রামও হতো আবার পড়াও হয়ে যেত, তবে হ্যাঁ তথ্যের ভুলের ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকতে হবে এক্ষত্রে।

২-৪। কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তিঃ
বিএসসি টা সিএসই-তে হওয়াতে এটা আমার জন্য কিছুটা সহজ ছিল, তবে এক্ষেত্রে MP3  এর কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বইটা পড়েছি।

২-৫। মানসিক দক্ষতাঃ প্রিলি এবং রিটেনের জন্য একবারে কাজে দেয় এই বইগুলো, আমি অ্যাসিওরেন্স মানসিক দক্ষতা বইটা পড়েছি, তবে এক্ষেত্রে যারা আগে ডিফেন্সের আই.এস.এস.বি-এর প্রথম দিনটা পার করেছেন, তারা খুব সহজেই আগের প্রিপারেশন দিয়ে অনেকটা এগিয়ে থাকতে পারবেন, তা নাহলেও খুব একটা সমস্যা হবে না, এই বিষয়টা তুলনামূলক সহজ এবং একটু মাথা খাটিয়ে পড়লে ভাল নম্বর পাওয়া সম্ভব।

২-৬। ম্যাথঃ
ক। “MP3 Math Review” বইটা পড়েছি

খ। নীলক্ষেতে কিছু ম্যাথ শর্টকাটের বই খুঁজে পেয়েছিলাম, যেটা তাড়াতাড়ি উত্তর খুঁজে পেতে হেল্প করেছে অনেকটা, এমুহুর্তে নামগুলো ঠিক মনে পড়ছেনা।

গ। রবি ১০ মিনিট স্কুলস এর ম্যাথ টিপিস ভিডিওগুলো অবসরে অবশ্যই দেখবেন, এগুলো বেশ কাজে দিয়েছিল আমার।

বলে রাখা ভাল, যারা ম্যাথে দুর্বল, শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে কখনই আগে ম্যাথে হাত দিয়ে নিজেকে হতাশ করবেন না (১৫-তে ২-৩ কিছু না পড়ে পাশের জনার কাছ থেকে শুনেও পাওয়া যায় – যদি কপাল ভাল থাকে এতেও চলবে)।

২-৭। বাংলাদেশঃ
ক। MP3 বাংলাদেশ বইটা পড়েছিলাম

খ। ডেইলি একটা নিউজ পেপারের বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক এই দুটো সেকশন পড়তে পারলে সেটা আপনাকে প্রিলি, রিটেন এবং ভাইভা সব ক্ষেত্রে উপকার দেব।

২-৮। আন্তর্জাতিকঃ
ক। MP3 আন্তর্জাতিক বইটা পড়েছিলাম

খ। সাইন্সের স্টুডেন্টদের কাছে এই দিকটা সব সময়ই বিপদের, এজন্য বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক এই দুটোর জন্য আর একটা কাজ করতাম আমি, মডেল টেস্টের তিনটা বই ছিল আমার, সেই বইগুলোর এই সেকশনের প্রশ্নগুলো বারবার দেখতাম।

২-৯। ভূগোলঃ অ্যাসিওরেন্স

২-১০। নৈতিকতাঃ অ্যাসিওরেন্স

৩। নিজেকে যাচাই করাঃ

ক। ৩৭ এর প্রস্তুতির শুরু থেকেই আমি চেষ্টা করতাম সপ্তাহে ৩/৪ টা মডেল টেস্ট দিয়ে নিজের প্রস্তুতিটা যাচাই করার, এক্ষেত্রে আমি শুধু সঠিক দাগানোর প্র‍্যাকটিস করতাম, শুরুতে যেটা ২৫-৩০ দিয়ে শুরু হয়েছিল সেটা শেষ পর্যন্ত ১৪০-১৫০ সঠিক দাগানোতে আনতে পেরেছিলাম।

খ। প্রিলির একমাস আগে থেকে ডেইলি ৩০-৪০মিনিটে একটা করে মডেল টেস্ট দিতাম। ৩টা বই ছিল – অ্যাসিওরেন্স, প্রফেসর’স, জ্ঞানদ্বিপ এর।

এছাড়াও, ডাইজেস্ট ছিল অ্যাসিওরেন্স এর তবে শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে - "প্রফেসর'স এর বিশেষ সংখ্যাটা" শেষ করেছিলাম, খুবই হেল্পফুল ছিল বইটা।

আমার ব্যাপারে কিছু প্রশ্নের উত্তরঃ
#####################

১। এটা আমার তৃতীয় প্রিলি ছিল – ৩৫, ৩৬, ৩৭ (শুধুমাত্র এটাতেই পাশ করেছি)

২। প্রিলির জন্য কোন কোচিং করতে পারিনি, সুযোগ থাকলে হয়ত করতাম, তবে রিটেনের জন্য কোচিং করেছিলাম।

৩। ২০০৯ থেকে জব করছি, তাই জব ছেড়ে দিয়ে প্রিপারেশন নেবার মত ইচ্ছা থাকলেও, আর্থিক টানা পোড়ন দেখাদিলে সেটাতে মানসিকভাবে চাপে পড়ে যেতে পারি ভেবে আর সে পথে আগাইনি, তবে হ্যাঁ ৩৭ মাসের দীর্ঘ পথ চলার মাঝে মানসিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন ঘটে থাকে, তাই জবের পাশাপাশি প্রিপারেশন নিতে পাড়লে সেটা সব থেকে উত্তম (যদি জবের পরিবেশটা ভাল হয় তবে)।

৪। যেভাবে পড়তামঃ

ক। ৯-৬ টা অফিসের পর বাসায় এসে (বাসা খুব কাছে ছিল অফিসের) ২ঘন্টা ঘুম দিয়ে রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত চেষ্টা করতাম পড়ার। একদিন ২ ঘন্টা, অন্যদিন ৮ ঘন্টা এভাবে পড়াটা আমার পছন্দ ছিলনা,  সবাইকে আমি এটাই বলি যেটাই করবেন একই ভাবে কন্টিনিউ করবেন (মিনিমাম ৩ থেকে ৪ মাস), তাহলে অবশ্যই সেটার পজেটিভ ইমপেক্ট আপনি দেখতে পাবেন ইনশাআল্লাহ।

খ। কালো কালির বই লাল বা নীল কালির কলম অথবা হাইলাইটার দিয়ে মার্ক করে রাখতাম

গ। একি টপিকস টানা না পড়ে, প্রতি সাবজেক্টের ম্যাক্সিমাম ১৫-২০ পেজ পর্যন্ত পড়তাম একটানা – উল্লেখ্য, মুখস্থ বিদ্যায় আমি খুব ভাল না হবার কারনে আমি মুখস্থ করবার জন্য ব্রেনের উপর চাপ না দিয়ে, যে বিষয়গুলো মনে রাখতে কষ্ট হতো সেগুলো ২/৩ দিন পরপরই রিডিং পড়ার মত করে দেখতাম, সব না, শুধুমাত্র হাইলাইট করা অংশগুলো।

ঘ। সাইন্স এবং সিএসই ব্যাকগ্রাউন্ডের হবার কারনে – বিজ্ঞান, আইসিটি, ম্যাথ, মানসিক দক্ষতা এগুলের মার্ক যতটা বাড়ানো যায় সে টার্গেট ছিল সবসময়, এখানে একটা ব্যাপার আছে, পুরানো প্রশ্নগুলো এক্সাটলি রিপিট না হলেও সেম প্যার্টানের প্রশ্ন অনেক আসে, এছাড়াও ঐ বছরের বিভিন্ন গভঃ পরীক্ষার প্রশ্নের সাথে প্রশ্নগুলোর অনেক মিল পাওয়া যায় (বিষয়টা কাকতালীয় না, আমার অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এমন মিল খুজে পেয়েছি)।

ঙ। শেষ যে কাজটা আমি করতাম – ৩৫ এর পর কোন প্রিলিই আমি ঢাকাতে দিতাম না কেননা খুলনাতে আমাদের বাসা, খুলনার সুবিধাগুলো হল এখানে যানযট নেই, হলের পরিবেশ যথেষ্ট ফ্রেন্ডলি পেয়েছি, আর রিটেন বিগত ৪/৫ টা বিসিএস একই সেন্টারে হচ্ছে, যেটা আমার বাসা থেকে ১০ মিনিটের পথ মাত্র। যাদের এটলিস্ট যানজট এড়ানোর এই সুযোগটা আছে তারা এটা অবশ্যই নিতে পারেন।

পরিশেষে এটাই বলব, বিসিএস একটি স্বপ্নের নাম, এই চলার পথটা যেমন অনেক দীর্ঘ, তেমনি এই পথে প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে অনেক, আপনার পথের প্রতিবন্ধকতাগুলোকে আপনার নিজের কৌশলেই অতিক্রম করতে হবে, অন্যের দেখানো পথটাই যে আপনাকে অনুসরন করে চলতে হবে ব্যাপারটা কখনই এমন নয়, বরং আমি মনে করি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে শেষ গন্ত্যবে পৌঁছানো যাদের একমাত্র লক্ষ্য তারা নিজেরাই তাদের কৌশল ঠিক বের করে নিতে পারে।

ভাইভায় কখন ফেইল করায় দেয়???

৩৬ তম বিসিএসে লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থী ৫৫৯ মার্কস পেয়েও ভাইভায় ফেল করেছিলেন। কেনো এমনটা হয় সে বিষয়ে একজন পিএসসি মেম্বারের মতামত......

★ কেন ভাইভাতে ফেইল করিয়ে দেয়া হয়?
১. নিজের এলাকা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারনা না রাখা।
২. বাবা-মায়ের প্রফেশন নিয়ে মিথ্যা বলা কিংবা বলতে লজ্জাবোধ করা।
৩. মিথ্যা বলা, ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করা।
৪. অনেক আগে পড়েছিলাম, তাই মনে নাই। এমন না বলাই ভাল।
৫. উত্তর না পারলেও গাইগুই করা! (জানা নেই স্যার বলা ভালো)
৬. অতি গম্ভীর ভাব ধরে বসে থাকা (হাশিখুশি পছন্দনীয়)
৭. কথা বার্তায় সাবলীলতা না থাকা।
৮. টেকনিক্যাল প্রশ্নের জবাবে সরাসরি সরকারের বিপক্ষে বলা। [এ ক্ষেত্রে যেমন, সরকারের কিছু ব্যর্থতা বলুন। এর উত্তরে, এটা একটা চলমান সমস্যা, তবে এটা নিরসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে.....এমন বলা ভালো]
৯. গান একদমই না শোনা, বই একদমই না পড়া, কবিতা একদমই না পড়া। সাংস্কৃতিক মনন থেকে দূরে থাকা।
১০. ভাইভা বোর্ডে অল্প সময়ে ছেড়ে দেয়া মানেই খারাপ ভাইভা নয়, এই সময়ের মধ্যে পোশাক, চুল, হাঁটাচলা এবং চোখের তীক্ষ্ণতা লক্ষ করা হয়।

****
(সাব রেজিস্ট্রারের ট্রেইনিংয়ে একজন পিএসসি মেম্বার এই কথাগুলোই বলেছিলেন)

Zulfikar Ali

বিসিএস ক্যাডার হতে চাইলে নিজেকে পাল্টে ফেলুন

বিসিএস ক্যাডার হতে চাইলে নিজেকে পাল্টে ফেলুন

শুধু প্রিলির জন্য পরীক্ষাতে বসবেন নাকি বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য পরীক্ষা দিবেন- এ দু’টি বিষয় নিয়ে বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার আগে নিজেকে প্রথমে প্রশ্ন করতে হবে। যদি ক্যাডার হতে চান, তাহলে পুরোপুরিভাবে নিজেকে পাল্টে নিতে হবে।

কারণ একজন স্বাভাবিক মানুষের দুটো দিক রয়েছে। একটা ভাল দিক আর একটা খারাপ দিক।

খারাপ দিক বলতে বুঝাতে চাচ্ছি, রাত জেগে ফেইসবুকিং করা, প্রেমিক-প্রেমিকার সাথে হি হি হা হা করা, বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারা, পড়তে গেলে আলসেমি ও ঘুম চলে আসা, অলসতা নিয়ে দিনযাপন করা; সেই সঙ্গে ফাঁকিবাজি ইত্যাদি। এই খারাপ দিকগুলো প্রথমে আপনাকে বুড়িগঙ্গা নদীতে বস্তা ভরে ফেলে দিতে হবে। তারপর প্লানিং করে নিজের একটা পড়ার রুটিন বানাতে হবে। আপনার পড়ার রুটিন অনুসারে আপনি সামনে এগুবেন। এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

সিলেবাসের এক সাইট থেকে পড়ে পড়ে গেলে এক পর্যায়ে দেখবেন পড়ার মত আর কিছু খুজে পাবেন না। আর যে সাবজেক্টে হিউজ পরিমাণে মার্কস আছে; সে সাবজেক্টগুলোর প্রতি বেশি বেশি মনোযোগ দেবেন। সবসময় ১২০/১৩০ টার্গেট নিয়ে প্রস্তুতি নেবেন। বাংলা ও ইংরেজিতে নিজের মত করে কমপক্ষে ৩০ জন কবির নাম তালিকা করবেন। ইংরেজিতে ৩০ জন, বাংলায় ৩০ জন মোট ৬০ জন কবির সাহিত্য কর্মগুলো এক মাসে শেষ করার চেষ্টা করবেন।

ইংরেজিতে গ্রামার বেশি বেশি চর্চা করবেন। Vocabulary'তে Strong হওয়ার জন্য বাজার থেকে বই না কিনে The daily star Editorial কলাম বা ইংরেজি মাধ্যম পত্রিকাগুলো থেকে Vocabulary শিখবেন। জব সলিউশন শেষ করা আবশ্যক। যদিও এটি প্রিলির একমাত্র নির্ভর নয়। গণিত বেশি বেশি চর্চা করবেন। সুতরাং বয়স ফুরিয়ে যাওয়ার আগে নিজের মনকে শক্ত করে প্রস্তুতি নিন।

আলসেমি করে বসে থাকলে অন্যদের সাফল্য দেখা ছাড়া আর কিছুই পাবেন না। অতীতে কী কী করেছেন, সেটা নিয়ে আর ভাবার সময় নেই। কাজেই ভবিষ্যৎতে কী করবেন তা নিয়ে ভাবুন। আজকে যারা আপনাকে দাম দিল না তাঁদেরকে দেখিয়ে দিন অাপনিও সেরাদের মধ্যে সেরা ছিলেন। কেবল সময়ের ব্যবধানে সেটি আপনি কাউকে দেখাতে পারেন নি।

মনে রাখবেন, বাইরে থেকে মৌমাছির মৌচাক দেখতে ভয়ানক হলেও ভেতরে কিন্তু মধু আছে। যে মধু সর্বজনপ্রিয়। সুতরাং আপনিও আপনার ভেতরটাকে নিংড়ে দিন। দেখবেন আজকে যারা আপনাকে অপ্রিয় বলেছেন; তারাই সুরসুরে প্রিয় ব্যক্তি হিসেবে বরণ করে নিবে। তাই পড়ার মত করে পড়ে নিজেকে সাজিয়ে ফেলুন। (সংগৃহীত)

যারা ফ্রেশার তাদের জন্য

যারা ফ্রেশার তাদের জন্যঃ

১. সিভিতে অতিরিক্ত কিছু লেখা থেকে বিরত থাকুন
২. যা জানেন না বা পারেন না তা কখনোই লিখবেন না
৩. পৃথিবীর কোন কিছুই (সাধারনত বেসিক বিষয়) কঠিন না, তাই সেগুলো জানার এবং বুঝার চেষ্টা করুন
৪. সিভিতে বিভিন্ন বা বাহারি রকম ফন্ট ব্যাবহার বন্ধ করুন
৫. বেশি বেশি মোটিভেশনাল স্পিস না শুনে নিজেকে তৈরী করতে বই পড়ুন বা প্রয়োজনীয় বিষয়ে জ্ঞান আহরন করুন
৬. কম্পিউটারের বেসিক প্রোগ্রাম সমুহ অবশ্যই জানতে হবে, না জেনে থাকলে এখন থেকেই রপ্ত করতে শুরু করুন
৭. আজ না কাল থেকে শুরু করবেন এই মনোভাব বদলান কারন সেই কাল আর আসবে না
৮. যতোই সরকারি চাকুরির ইচ্ছে থাকুক না কেন, ৩০ বছর বয়সে এসে আবার যেন কোম্পানির চাকুরি খুজতে না হয় তাই এখনই কোন কোম্পানির চাকুরির জন্য চেষ্টা করুন আর চাকুরির করার সময়ই সরকারি চাকুরির প্রস্তুতি নিন কারন ৯৫% এরই সরকারি চাকুরি হয় না আবার ৩২/৩৫ বছর বয়সে এসে কেউ এন্ট্রি লেভেলে চাকুরিতে নিতে চায় না, আবার দেখবেন সমবয়সী কেউ আপনার বস হয়ে বসে আছে।
৯. মামা-খালু ছাড়াও চাকুরি হয় এই বিষয়টা মাথায় গেথে নিন (নিজের যোগ্যতার উপর ভরশা রাখুন)
১০. কোন কাজেই সট-খাট কোন পথ নাই, কষ্ট করুন ফল পাবেন
১১. যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ান
১২. সময়ের সাথে নিজেকে প্রস্তুত করুন, সময়ের থেকে পিছিয়ে গেলেন তো জীবন থেকেও পিছিয়ে গেলেন
১৩. কারো দোষ গুন বিচার না করে নিজের কাজ নিজে করতে থাকুন

- collected

★ লিংক: ইসলামিক লাইব্রেরি PDF (Google Drive)

bcspedia.blogspot.com

১। স্বপ্ন যাদের বিসিএস – অভিজ্ঞদের পরামর্শ


২। বিসিএস নিয়ে প্রচলিত ১০ ভুল ধারণা


৩। বিসিএস (প্রশাসন)-কে কেন সকল ক্যাডার এর রাজা বলা হয়


৪। যদি কূটনীতিক হতে চাও


৫। বিসিএস প্রিলিমিনারি - বাংলা


৬। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে ২৫ পরামর্শ


৭। ইংরেজির ভয় করতে জয় যা মানতে হয়


৮। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: ইংরেজি সাহিত্য


৯। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: গণিত


১০। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি


১১। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি


১২। সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ অংশে ভালো করার উপায়


১৩। সাধারণ জ্ঞানে অসাধারণ হওয়ার কৌশল


১৪। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নিয়ে কিছু কথা


১৫। বিসিএসের প্রস্তুতি: গাণিতিক যুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি


১৬। ভূগোল ও নৈতিকতায় ভালো করতে চাইলে


১৭। বিসিএসের বই পড়াই সব নয়


১৮। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে



https://english-grammarblog.blogspot.com/2020/08/effective-sentence.html
https://english-grammarblog.blogspot.com/2022/03/all-about-completing-sentences.html
https://english-grammarblog.blogspot.com/2020/12/rules-of-changing-voice-active-to-passive.html
https://www.google.com/search?q=site%3Aenglish-grammarblog.blogspot.com
★ From Google Drive —

BCS Exam Syllabus (Download Now):

BCS Preliminary Test 

Download PDF

BCS Written Exam

Download PDF

https://bcspedia.blogspot.com/2022/04/preposition-shortcut-rules-techniques.html

https://bcspedia.blogspot.com/2020/10/blog-post_222.html

https://t.me/englishgrammarblog

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/full-guidelines-for-bcs-written-examination.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/1st-world-war-and-2nd-world-war.html

https://bcspedia.blogspot.com/search/label/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%20-%20Motivation

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/why-do-muslims-commit-terrorism.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/01/transformation-of-sentences.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/bcs-preliminary-test-last-minute-preparation-and-suggestion.html

🔔

https://bcspedia.blogspot.com/search/label/Earn%20Money

 

👍 CATEGORIES ⚝⚝⚝

#ওসমানি #আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান #মিশর #Egypt ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ১. হ্যান্ডনোট এবং তথ্যবহুল চিত্র ১০. নৈতিকতা মূল্যবোধ ও সুশাসন ১১. বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২. ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য ৩. বাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ৪০০টি প্রশ্নোত্তর: কম্পিউটার এবং কম্পিউটার-প্রযুক্তি 43rd BCS ৫. ভাইভা বোর্ড ৫. ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ৫২ থেকে ৭১ ৬. সাধারণ বিজ্ঞান ৭ মার্চ ৭. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ৮. গাণিতিক যুক্তি ৯. মানসিক দক্ষতা অনুপ্রেরণা অনুপ্রেরণা - Motivation আইনকানুন আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক চুক্তি আন্তর্জাতিক বিষয়: সীমারেখা আন্তর্জাতিক সীমারেখা আপডেট আপডেট তথ্য আবিষ্কার ও আবিষ্কারক আলোচিত ১১ জন কবি-সাহিত্যিক ও তাঁদের রচনাবলী ইংরেজি ইংরেজি সাহিত্য উপাধি ও ছদ্মনাম এটর্নি জেনারেল এবার যাদের প্রথম বিসিএস কম্পিউটার কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি গণিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম গুরুত্বপূর্ণ শব্দ পরিচিতি চর্যাপদ চর্যাপদের কবিগণ জাতীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের শাখা এবং জনক জ্যামিতিক সূত্র দেশী বিজ্ঞানীরা নদ-নদী নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ পত্রিকা এবং ছদ্মনাম পদ প্রকরণ পররাষ্ট্রনীতি পরামর্শ পরামর্শ V. V. V. I. পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিমিতির (Mensuration) সূত্রাবলিসমূহ পাঁচমিশালী তথ্য + সাধারণ জ্ঞান পারিভাষিক শব্দ পুরাতন ও নতুন নাম প্রতিশব্দ প্রথম প্রকাশিত প্রস্তুতিহীন বিসিএস যাত্রা ফলা এবং যুক্তাক্ষর ফাঁদ প্রশ্ন ফিলিস্তিন Palestine ফ্রান্সের ইসলাম-বিদ্বেষ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বাংলা বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যের মিলবন্ধন বাংলা ব্যাকরণ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বাংলা শব্দার্থ বাংলা সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের দুই মহারথী বাংলাদেশ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাগধারা বানান শুদ্ধিকরণ বিগত পরীক্ষাসমূহ বিপ্লব বিভক্তি বিসিএস পরামর্শ বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতি বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ভাষা আন্দোলন ভূগোল ভৌগোলিক উপনাম ভ্যাকসিন কূটনীতি এবং বাংলাদেশ মডেল টেস্ট মডেলটেস্ট মহাকাশ মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্যকর্ম মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বপূর্ণ খেতাব মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্যভাণ্ডার যুক্ত বর্ণ লিখিত গাইডলাইন লিখিত পরীক্ষা লেখা ও লেখক শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি ও পরামর্শ শ্রেষ্ঠ বাঙালি ✏️✏️ সংবিধান সংবিধান সংশোধনী সদর-দপ্তর সভ্যতা সমাস সাজেশন সাধারণ জ্ঞান সাধারণ বিজ্ঞান সাম্প্রতিক সাহিত্য-উৎসর্গ সাহিত্যিক সাহিত্যে কনফিউশন স্থাপত্য ও স্থপতি স্পোকেন ইংলিশ All Things Review Bangladesh Constitution BCS Preliminary Question Analysis BCS Preparation Special Episodes BCS Questions Earn Money Eat Chew Drink Take Have ? English Grammar English Grammar Exercises with Answers English Grammar Test English Literature Essay Writing General Science ICT Idioms and Phrases International financial institutions Love Stories in Literature Nobel Prize One Word Substitution Preposition Quiz Redundancy বাহুল্য (দোষ) Shortcut to Preposition Spoken English Terrorism Transformation of Sentences 👍 Translation United Nations Vocabulary Warrant of Precedence World Wars

এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ:


Literary Terms 


1. Simile (উপমা):

দুটি আলাদা বস্তু বা দুইজন ব্যক্তির মধ্যে as, like, resemble, the same as ইত্যাদি শব্দগুলাের উল্লেখ করে সরাসরি তুলনা করাকে simile বলে। 

Example -

• I wandered lonely as a cloud. 

• Youth (is) like summer morn.

• My heart is like a singing bird. 

• He is as cunning as a fox. 


2. Metaphor (রূপক):

দুটি আলাদা বস্তু বা দুইজন ব্যক্তির মধ্যে comparision এর শব্দসমূহ (যেমন: as, such, like ইত্যাদি) ব্যবহার না করেই তুলনা করাকে metaphor বলে। 

Example -

• Liza is a rose.

• Life is but a walking shadow. 

• Nazrul is fire.

• My brother was boiling mad. 


Note: একই জাতীয় বিষয়বস্তুর মধ্যে তুলনা হলে ......... Read More 


📓 পুরো আর্টিকেল/পোস্টটি পড়ুন