Pages

পদ প্রকরণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পদ প্রকরণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পদ আট প্রকার

শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার নাম হয় পদ। বাক্যের অন্তর্গত এসব শব্দ বা পদকে মোট আটটি শ্রেণিতে ভাগ করে বর্ণনা করা যায়:

(ক্লিক করে বিস্তারিত পড়ুন)

১. বিশেষ্য,


২. সর্বনাম, 


৩. বিশেষণ, 


৪. ক্রিয়া, 


৫. ক্রিয়াবিশেষণ, 


৬. অনুসর্গ, 


৭. যোজক ও 


৮. আবেগ।


বাক্যে প্রয়োগের উপরে শব্দশ্রেণির এই আট রকম বিভাজন চূড়ান্ত হয়ে থাকে ।

যেমন,

যখন বলা হয়: লাল থেকে নীল ভালো, তখন 'লাল' এটি বিশেষ্য পদ।

কিন্তু যখন বলা হয়: আমি একটি লাল ফুল তুলেছি - তখন 'লাল' বিশেষণ পদ।



...........................

মূল পাঠ্য (উৎস):
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি,
৯ম-১০ম শ্রেণি (নভেম্বর, ২০২০)

// মন্তব্য: নতুন বোর্ড ব্যাকরণ 

অনুসর্গ

যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন -

সে কাজ ছাড়া কিছুই বোঝে না। - এই বাক্যে 'ছাড়া' একটি অনুসর্গ।

কোন পর্যন্ত পড়েছ? - এই বাক্যে 'পর্যন্ত' একটি অনুসর্গ।

কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:

অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে,
থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে,
বনাম বরাবর বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে,
সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।


যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে '-কে' '-র', ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে । যেমন -
তোমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব ।
সে পরীক্ষার জন্য পড়ছে।

অনুসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: 
সাধারণ অনুসর্গ ও ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।


সাধারণ অনুসর্গ

যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, সেগুলোকে সাধারণ অনুসর্গ বলে । 
যেমন -
উপরে: মাথার উপরে নীল আকাশ।
কাছে: কার কাছে গেলে জানা যাবে?
জন্যে: হারানো ঘড়িটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
দ্বারা: এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
বনাম: আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা ।


ক্রিয়াজাত অনুসর্গ

যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে। 
যেমন -
করে: ভালো করে খেয়ে নাও।
থেকে: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
বলে; সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।


অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও।

১. অনুসর্গকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. দুই খ. তিন 
গ.চার ঘ. পাচ

২. সাধারণ অনুসর্গের প্রয়োগ ঘটেছে কোনটিতে?
ক. মাথার উপরে নীল আকাশ। 
খ. ভালো করে খেয়ে নাও।
গ. মন দিয়ে লেখাপড়া করো । 
ঘ. বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।

৩. নিচের কোনটিতে ক্রিয়াজাত অনুসর্গের প্রয়োগ ঘটেছে?
ক. এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না। 
খ. কার কাছে গেলে জানা যাবে?
গ. সবার সামনে থাকবে । 
ঘ. তুমি আসবে বলে দাড়িয়ে আছি।

৪. কোনটি অনুসর্গের উদাহরণ?
ক. আপন, তুমি খ.বলে,কয়ে 
গ. অভিমুখে, কাছে ঘ. জোরে, আস্তে

৫. ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে কোন অনুসর্গ?
ক. ক্রিয়াজাত অনুসর্গ খ. ক্রিয়ামুখী অনুসর্গ
গ. ক্রিয়াধর্মী অনুসর্গ ঘ. ক্রিয়ালগ্ন অনুসর্ণ

ক্রিয়াবিশেষণ

যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। নিচের বাক্যগুলোতে ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ:

ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়।
লোকটি ধীরে হাটে ।
মেয়েটি গুনগুনিয়ে গান করছে।

এখানে দ্রুত, ধীরে, গুনগুনিয়ে ক্রিয়াবিশেষণ। 

অনেক সময়ে বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে '-এ', '-তে' ইত্যাদি বিভক্তি এবং '-ভাবে', '-বশত', '-মতো'
ইত্যাদি শব্দাংশ যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবিশেষণ তৈরি হয়। যেমন - ততক্ষণে, দ্রুতগতিতে, শান্তভাবে, ভ্রান্তিবশত, আচ্ছামতো ইত্যাদি।

ক্রিয়াবিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: কোনো ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে। যেমন -
টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

২. কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে । যেমন -
আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি ।
যথাসময়ে সে হাজির হয়।

৩. স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়ার হ্বান নির্দেশ করে স্বানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ । যেমন -
মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়
তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

৪. নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায় । এগ্লো সাধারণত ক্রিয়ার পরে বসে । যেমন -
সে এখন যাবে না।
তিনি বেড়াতে যাননি ।
এমন কথা আমার জানা নেই।

৫. পদাণু ক্রিয়াবিশেষণঃ বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনো ভূমিকা পালন না করলেও 'কি', 'যে', 'বা', 'না', 'তো' প্রভৃতি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে। যেমন -
কি: আমি কি যাব?
যে: খুব যে বলেছিলেন আসবেন!
বা: কখনো বা দেখা হবে।
না: একটু ঘুরে আসুন না, ভালো লাগবে।
তো: মরি তো মরব।

গঠন বিবেচেনায় ক্রিয়াবিশেষণকে একপদী ও বহুপদী - এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
একপদী ক্রিয়াবিশেষণ: আস্তে, জোরে, চেঁচিয়ে, সহজে, ভালোভাবে ইত্যাদি।
বহুপদী ক্রিয়াবিশেষণ: ভয়ে ভয়ে, চুপি চুপি ইত্যাদি।


অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ক দাও।

১. যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে তাকে কী বলে?
ক. ক্রিয়া-বিশেষ্য  খ.ক্রিয়াবিশেষণ 
গ. গুণ-বিশেষ্য ঘ. অনুসর্গ

২. কোনটি কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ?
ক. তিনি এখানে এসেছিলেন।
খ. ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়।
গ. গতকাল তিনি ঘুরে গিয়েছেন।
ঘ. একটু ঘুরে আসুন না!

৩. “মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়”_ বাক্যটিতে কোন ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ব্যবহৃত হয়েছে?
ক. ধরনবাচক খ.কালবাচক 
গ.স্থানবাচক ঘ. পদাণু

8. 'কি', 'যে', 'বা', 'তো' প্রভৃতি কোন ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ?
ক. পদাণু খ.কালবাচক 
গ.স্থানবাচক ঘ. ধরনবাচক

&. নিচের কোনটি একপদী ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ?
ক.জোরে খ.ভয়ে ভয়ে 
গ. মরতে মরতে ঘ. যায় যায়

ক্রিয়া

বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া
বলে। যেমন -
রাজীব খেলছে।
বৃষ্টি হতে পারে ।

ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়া গঠিত হয় । যেমন _
পড়্ + ই = পড়ি, 
পড়্ + এ = পড়ে, 
পড়্ + ছে = পড়ছে, 
পড়্ + বে = পড়বে

পক্ষ (পুরুষ) এবং কাল ভেদে ক্রিয়ার রূপভেদ হয়।
যেমন -
পক্ষভেদ: আমি পড়ি, আমরা পড়ি, তুমি পড়ো, তোমরা পড়ো, সে পড়ে, তারা পড়ে।
কালভেদ: আমি পড়ি, আমি পড়ছি, আমি পড়েছি, আমি পড়েছিলাম, আমি পড়ছিলাম, আমি পড়ব।


ক্রিয়ার প্রকারভেদ

ভারপ্রকাশের দিক দিয়ে, বাক্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে এবং গঠন বিবেচনায় ক্রিয়াকে নানা ভাগে ভাগ করা যায়।


ক. ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া দুই প্রকার:

১. সমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন - ভালো করে পড়াশোনা করবে ।

২. অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন - ভালো করে পড়াশোনা করলে ভালো ফল হবে।

অসমাপিকা ক্রিয়া তিন ধরনের: 
১. ভূত অসমাপিকা, 
২. ভাবী অসমাপিকা এবং 
৩. শর্ত অসমাপিকা ।

যথা:
ভূত অসমাপিকা: সে গান করে আনন্দ পায়।
ভাবী অসমাপিকা: সে গান শিখতে রাজশাহী যায়।
শর্ত অসমাপিকা: গান করলে তার মন ভালো হয়।



খ. বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার:

১. অকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন - সে ঘুমায়।
এই বাক্যে কোনো কর্ম নেই।


২. সকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন - সে বই পড়ছে।
এই বাক্যে "পড়ছে" হলো সকর্মক ক্রিয়া | 'বই' হলো “পড়ছে” ক্রিয়ার কর্ম।

৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন - শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
এই বাক্যে 'দিলেন' একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। 'কী' দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (বই), আর “কাকে দিলেন" প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (ছাত্রকে)।


গ. গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া পাঁচ রকম:

১. সরল ক্রিয়া: একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন
করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে। যেমন - সে লিখছে । ছেলেরা মাঠে খেলছে । এখানে লিখছে ও
খেলছে - এগুলো সরল ক্রিয়া।

২. প্রযোজক ক্রিয়া: কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। যেমন - তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন; রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায় - এখানে "করাচ্ছেন" ও "খাওয়ায়" প্রযোজক ক্রিয়া ।

৩. নামক্রিয়াঃ বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্বক শব্দের শেষে -আ বা -আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বলে । 
যেমন - 

বিশেষ্য চমক শব্দের সঙ্গে -আনো যুক্ত হয়ে হয় চমকানো: আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়; 

বিশেষণ কম শব্দের সঙ্গে -আ যুক্ত হয়ে হয় কমা: বাজারে সবজির দাম কমছে না; 

ধ্বন্যাত্মক ছটফট শব্দের সঙ্গে -আনো যুক্ত হয়ে হয় ছটফটানো: জবাই করা মুরগি উঠানে ছটফটায়।

৪. সংযোগ ক্রিয়া: বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা,
পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়। 

করা ক্রিয়া যোগে: গান করা, গরম করা, ঠনঠন করা, ব্যাট করা; 

কাটা ক্রিয়া যোগে: সীতার কাটা, বিপদ কাটা; 

হওয়া ক্রিয়া যোগে: উদয় হওয়া, বড়ো হওয়া, রাজি হওয়া; 

দেওয়া ক্রিয়া যোগে: কথা দেওয়া, মন দেওয়া, দোষ দেওয়া; 

ধরা ক্রিয়া যোগে: ভাঙন ধরা, মরচে ধরা, ক্যাচ ধরা; 

পাওয়া ক্রিয়া যোগে: লজ্জা পাওয়া,
কষ্ট পাওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া; 

খাওয়া ক্রিয়া যোগে: আছাড় খাওয়া, মার খাওয়া, ডিগবাজি খাওয়া 

মারা ক্রিয়া যোগে: উকি মারা, পকেট মারা ।

৫. যৌগিক ক্রিয়া: অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে । যেমন - মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, হেসে ওঠা, উঠে পড়া, পেয়ে বসা, সরে দীড়ানো, বেঁধে দেওয়া, বুঝে নেওয়া, বলে ফেলা, করে তোলা, চেপে রাখা
ইত্যাদি ।


অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও।

১. বাক্যের উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয তা কোন পদের দ্বারা নির্দেশিত হয়?
ক. বিশেষ্য খ.বিশেষণ গ. ক্রিয়া ঘ. যোজক

২. ধাতুর সঙ্গে কী যুক্ত হয়ে ক্রিয়া হয়?
ক.প্রত্যয় খ.অনুসর্গ গ.বিভক্তি ঘ. উপসর্গ

৩. ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তিত হয় -
ক. পুরুষ ভেদে খ.কাল ভেদে 
গ.বচনভেদে ঘ. ক ও খ উভয়ই

৪. নিচের কোন বাক্যটিতে অসমাপিকা ক্রিয়া নেই?
ক. সে গান করে আনন্দ পায় 
খ. রাতের বেলা আকাশে টাদ ওঠে
গ. ভালো করে পড়াশোনা করবে 
ঘ. পড়াশোনা করলে ভালো ফল হবে

৫. কোনটি অসমাপিকা ক্রিয়ার ধরন?
ক.শর্ত খ. ভূত গ. ভাবী ঘ. সবগুলোই

৬. নিচের বাক্যগ্তলোতে কোনটি অকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ?
ক. সে বই পড়ছে গ. তিনি আমাকে বই দিলেন
খ. লতা ঘুমায় ঘ. সে গল্প লিখছে

৭. অন্যকে দিয়ে করা বোঝালে কোন ক্রিয়া হয়?
ক. সরল ক্রিয়া গ. প্রযোজক ক্রিয়া খ. নাম ক্রিয়া ঘ. যৌগিক ক্রিয়া

৮. সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠন করে তাকে কী বলে?
ক. সংযোগ ক্রিয়া খ.নাম ক্রিয়া  
গ.সরল ক্রিয়া ঘ. যৌগিক ক্রিয়া

৯. নিচের কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ?
ক. এগিয়ে চলা খ. উদয় হওয়া 
গ. ডিগবাজি খাওয়া ঘ. বৃদ্ধি পাওয়া

১০. ধ্বন্যাত্মক নামক্রিয়ার উদাহরণ আছে কোন বাক্যে?
ক. চিঠিটা ওকে দিয়ে লেখাতে হবে।
খ. পাখিটা ছটফটাচ্ছে।
গ. ঘণ্টা বেজে উঠল।
ঘ. মা শিশুকে চাদ দেখাচ্ছেন।

বিশেষণ

যে শব্দ দিয়ে বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে । যেমন - সুন্দর ফুল, বাজে কথা, পঞ্চাশ টাকা, হাজার সমস্যা, তাজা মাছ।

বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ

কোন কোন শ্রেণির শব্দকে বিশেষিত করে, সেই অনুযায়ী বিশেষণকে আলাদা করা যায়। বিশেষণ শব্দটি কীভাবে গঠিত হয়েছে, সেই বিবেচনায়ও বিশেষণকে ভাগ করা সম্ভব। এছাড়া বাক্যের মধ্যে বিশেষণটির অবস্থান কোথায় তা দিয়েও বিশেষণকে চিহিল্ত করা যায়। এসব বিবেচনায় বিশেষণকে নানা নামে উপস্থাপন করা যেতে পারে।

১.  বর্ণবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে রং নির্দেশ করা হয়, তাকে বর্ণবাচক বিশেষণ বলে । যেমন _ নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, লাল ফিতা _ এখানে “নীল', “সবুজ' বা 'লাল' হলো বর্ণবাচক বিশেষণ ।

২. গুণবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বেশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে । যেমন - চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি - এখানে “চালাক? ও ঠান্ডা” হলো গুণবাচক বিশেষণ ।

৩. অবস্থাবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বোঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে । যেমন - চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ _ এখানে “লন্ত' ও “তরল' অবদ্থাবাচক বিশেষণ ।

৪. ক্রমবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে । যেমন - এক টাকা,
আট দিন - এখানে “এক' ও “আট' ক্রমবাচক বিশেষণ ।

৫. পুরণবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে । যেমন _ তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান - এখানে “তৃতীয়' ও “৩৪তম' পূরণবাচক বিশেষণ ।

৬. পরিমাণবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে । যেমন- আধা কেজি চাল, অনেক লোক - এখানে “আধা কেজি' ও “অনেক' পরিমাণবাচক বিশেষণ ।

৭. উপাদানবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে। যেমন - বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি - এখানে “বেলে' ও “পাথুরে' উপাদানবাচক বিশেষণ ।

৮. প্রশ্নবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বিশেষণ বলে। যেমন - কেমন গান? কতক্ষণ সময়? _ এখানে “কেমন ও 'কতক্ষণ' প্রশ্নবাচক বিশেবণ।

৯. নির্দিষ্টতাবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়; তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন - এই দিনে, সেই সময় — এখানে “এই' ও “সেই; নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ ।

১০. ভাববাচক বিশেষণ: যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে । যেমন - “খুব ভালো খবর' ও “গাড়িটা বেশ জোরে চলছে - এসব বাক্যে খুব' এবং 'বেশ' ভাববাচক বিশেষণ।

১১. বিধেয় বিশেষণ: বাক্যের বিধেয় অংশে যেসব বিশেষণ বসে, সেসব বিশেষণকে বিধেয় বিশেষণ বলে ।
যেমন - “লোকটা পাগল" বা “এই পুকুরের পানি ঘোলা' - বাক্য দুটির “পাগল' ও “ঘোলা বিধেয় বিশেষণ ।


অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও।

১. বিশেষণ কার দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি প্রকাশ করে?
ক. বিশেষ্য ও বিশেষণ খ. বিশেষ্য ও সর্বনাম
গ. বিশেষণ ও ক্রিয়াবিশেবণ ঘ. বিশেষণ ও অনুসর্গ

২. “সবুজ মাঠের পরে আমাদের গ্রাম” - বাক্যটিতে বিশেষণ পদ কোনটি?
ক.মাঠের খ.আমাদের গ. সবুজ ঘ. পরে

৩. বর্ণবাচক বিশেষণের উদাহরণ কোনটি?
ক. লাল খ.আধা গ. পাথুরে ঘ. এক

৪. “চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ো না” - বাক্যটিতে 'চলস্ত' কোন জাতীয় বিশেষণ?
ক. অবস্থাবাচক খ. উপাদান বাচক গ.গুণবাচক ঘ. ভাববাচক

৫. নিচের কোন উদাহরণে ভাববাচক বিশেষণ রয়েছে?
ক. খুব ভালো খবর খ. লোকটা পাগল 
গ. আধা কেজি চাল ঘ. কতক্ষণ সময়

৬. 'তৃতীয়' কোন জাতীয় বিশেষণ?
ক. পূরণবাচক খ. পরিমাণবাচক 
গ. ক্রমবাচক ঘ. গুণবাচক

সর্বনাম

বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে সর্বনাম শব্দ বলে। বাক্যের মধ্যে বিশেষ্য যে ভূমিকা পালন করে, সর্বনাম অনুরূপ ভূমিকা পালন করে । যেমন - “শিমুল মনোযোগের সঙ্গে পড়াশোনা করত । তাই সে পরীক্ষায় ভালো করেছে।” দ্বিতীয় বাক্যের “সে' প্রথম বাক্যের 'শিমুল'-এর পরিবর্তে বসেছে। বিশেষ্য শব্দের মতো সর্বনাম শব্দের সঙ্গেও বিভক্তি, নির্দেশক, বচন প্রভৃতি যুক্ত হয়।

সর্বনামের শ্রেণিবিভাগ

সর্বনামকে নিচের নয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

১. ব্যক্তিবাচক সর্বনাম: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তিনামের পরিবর্তে বসে । এই সর্বনাম তিন ধরনের:

বক্তা পক্ষের সর্বনাম: আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের ইত্যদি |

শ্রোতা পক্ষের সর্বনাম: তুমি, তোমরা, তুই, তোরা, আপনি, আপনারা, তোমাকে, তোকে,
আপনাকে ইত্যাদি।

অন্য পক্ষের সর্বনাম: সে, তারা, তিনি, তারা, এ, এরা, ওর, ওদের ইত্যাদি ।

শ্রোতাপক্ষ ও অন্যপক্ষের সর্বনামকে মর্যাদা অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করা হয়: 

সাধারণ সর্বনাম (তুমি, সে), 
মানী সর্বনাম আপনি, তিনি, ইনি, উনি) ও 
ঘনিষ্ঠ সর্বনাম (তুই, এ, ও)।

২. আত্মবাচক সর্বনাম: কর্তা নিজেই কোনো কাজ করেছে, এ ভাবটি জোর দিয়ে বোঝানোর জন্য এ ধরনের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়। যেমন - নিজে (সে নিজে অঙ্কটা করছে), দ্বয়ং ইত্যাদি ।

৩. নির্দেশক সর্বনাম: যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে । যেমন - নিকট নির্দেশক: এ, এই, এরা, ইনি; দূর নির্দেশক: ও, ওই, ওরা, উনি।

৪. অনির্দিষ্ট সর্বনাম: অনির্দিষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে । যেমন - কেউ, কোথাও, কিছু, একজন (একজন এসে খবরটা দেয়) ইত্যাদি।

৫. প্রশ্নবাচক সর্বনাম: প্রশ্ন তৈরির জন্যে প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়। যেমন - কে, কারা, কাকে, কার, কী (কী দিয়ে ভাত খায়?) ইত্যাদি।

৬. সাপেক্ষ সর্বনাম: পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। যেমন - যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল) ইত্যাদি ।

৭. পারস্পরিক সর্বনাম: দুই পক্ষের সহযোগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন - পরস্পর, নিজেরা নিজেরা (যাবতীয় ছন্দ নিজেরা নিজেরা মিটমাট করে) ইত্যাদি।

৮. সকলবাচক সর্বনাম: ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বোঝাতে সকলবাচক সর্বনাম হয়। যেমন - সবাই,
সকলে, সকলকে, সবার, সমস্ত, সব ইত্যাদি।

৯. অন্যবাচক সর্বনাম: নিজ ভিন্ন অন্য কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে অন্যবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন- অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি ।


অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও।

১. বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে কী শব্দ বলে?
ক.সর্ববাম খ.বিশেষণ গ. অনুসর্গ ঘ. ক্রিয়া

২. সর্বনামকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. পাচ খ. ছয় গ. নয় ঘ. এগারো

৩. নিচের কোনটি ব্যক্তিবাচক সর্বনাম?
ক. একজন খ. উনি গ.স্বয়ং ঘ. আমি

৪. কর্তা নিজেই কাজটি করেছেন, তা বোঝালে কোন সর্বনাম হয়?
ক.ব্যক্তিবাচক খ. আত্মবাচক গ. নির্দেশক ঘ. অনির্দিষ্ট

৫. সাপেক্ষ সর্বনামের উদাহরণ কোনটি?
ক. অন্য 
খ. এ 
গ. যে সে 
ঘ. পরস্পর

৬. নিজ ভিন্ন অন্য কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে কোন সর্বনাম ব্যবহৃত হয়?
ক. অনির্দিষ্ট  খ.আত্মবাচক 
গ. অন্যবাচক ঘ. সফলবাচক

৭. কোন সর্বনাম নৈকট্য বা দুরত্ব নির্দেশ করে?
ক. সাপেক্ষ সর্বনাম খ. অনির্দিষ্ট সর্বনাম 
গ. আত্মবাচক সর্বনাম ঘ. নির্দেশক সর্বনাম

বিশেষ্য

যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে । যেমন -
নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি ।

বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ

বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার: 
১. নাম-বিশেষ্য 
২. জাতি-বিশেব্য, 
৩. বন্তু-বিশেষ্য, 
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য, 
৫. গুণ-বিশেষ্য এবং 
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

১. নাম-বিশেষ্য: ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়। যেমন _

ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা ।

স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা ।

কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।

সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা ।

২. জাতি-বিশেষ্য: জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো
নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায় । যেমন - মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

৩. বস্তু-বিশেষ্য: কোনো দ্রব্য বা বস্তর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন - ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

৪. সমষ্টি-বিশেষ্য: এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন - জনতা, পরিবার,
ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

৫. গুণ-বিশেষ্য: গুণগত অবদ্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে । যেমন - সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি ।

৬. ক্রিয়া-বিশেষ্যঃ যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে।
যেমন - পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি ।

অনুশীলনী
সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও।

১. যে সব শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর নাম বোঝায় তাকে কী বলে?
ক. বিশেষ্য খ. অনুসর্গ গ. যোজক ঘ. সর্বনাম

২. বাক্যে ব্যবহারের সময়ে বিশেষ্যের সঙ্গে কী কী যুক্ত হয়?
ক. বিভক্তি, নির্দেশক ও বচন 
খ. বিশেষ্য, বিশেষণ ও সর্বনাম
গ. অনুসর্গ, নির্দেশক ও বিশেষ্য 
ঘ. বিশেষণ, অব্যয় ও ক্রিয়া

৩. 'পদ্মা' কোন জাতীয় নাম-বিশেষ্য?
ক. সৃষ্টিনাম খ. কালনাম গ. স্থাননাম ঘ. ব্যক্তিনাম

৪. জাতি-বিশেষ্যের উদাহরণ কোনটি?
ক. আকাশ খ.নদী গ. পদ্মা স্ব. হিমালয়

৫. নিচের কোনগুলি সমষ্টি-বিশেষ্যের উদাহরণ?
ক. পরিবার ও মিছিল 
খ.নদী ও সাগর 
গ. সঞ্চিতা ও ইত্তেফাক
ঘ. আকাশ

৬. গুণ-বিশেষ্য কোনটি?
ক.সাগর খ.সততা গ. ভোজন ঘ. বাহিনী

৭. নিচের কোনটি কালনাম শ্রেণির নাম-বিশেষ্য?
ক. বৈশাখ খ. হিমালয় গ. আকাশ ঘ. পবন

পরবর্তী পদ প্রকরণ সম্পর্কে জানুন:

আবেগ

মনের নানা ভাব বা আবেগকে প্রকাশ করা হয় যেসব শব্দ দিয়ে সেগুলোকে আবেগ শব্দ বলা হয় । এই ধরনের শব্দ বাক্যের অন্য শব্দগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়ে আলগাভাবে বা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়৷ যেমন -

ছিছি, আহা, বাহ্‌, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।

নিচে বিভিন্ন ধরনের আবেগ শব্দের প্রয়োগ দেখানো হলো ।

১. সিদ্ধান্ত আবেগ: এ জাতীয় শব্দের সাহায্যে অনুমোদন, সম্মতি, সমর্থন ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করা হয়।
যেমন -
হ্যা, আমাদের জিততেই হবে ।
বেশ, তবে যাওয়াই যাক।

২. প্রশংসা আবেগ: এ ধরনের শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয় । যেমন -
শারাশ! এমন খেলাই তো চেয়েছিলাম।
বাহ্‌, চমতকার লিখেছ।

৩. বিরক্তি আবেগ: এ ধরনের শব্দ অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। যেমন -
ছি ছি! এরকম কথা তার মুখে মানায় না।
জ্বালা! তোমাকে নিয়ে আর পারি না!

৪. আতঙ্ক আবেগ: এ ধরনের আবেগ-শব্দ আতঙ্ক, যন্ত্রণা, কাতরতা ইত্যাদি প্রকাশ করে । যেমন _
উহ্‌, কী বিপদে পড়া গেল।
বাপরে বাপ! কী ভয়ঙ্কর ছিল রাক্ষসটা ।

৫. বিস্ময় আবেগ: এ ধরনের শব্দ বিস্মিত বা আশ্চর্য হওয়ার ভাব প্রকাশ করে । যেমন -
আরে! তুমি আবার কখন এলে?
আহ্‌, কী চমৎকার দৃশ্য!

৬. করুণা আবেগ: এ ধরনের শব্দ করুণা, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশ করে । যেমন -
আহা! বেচারার এত কষ্ট।
হায় হায়! ওর এখন কী হবে!

৭. সম্বোধন আবেগ: এ ধরনের শব্দ সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় । যেমন -
হে বন্ধু, তোমাকে অভিনন্দন।
ওগো, তোরা জয়ধ্বনি কর।

৮. অলংকার আবেগ: এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্য ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য এবং সংশয়, অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশের জন্যে অলংকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -

দুর! এ কথা কি বলতে আছে?
যাকগে, ওসব কথা থাক।

অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও ।

১. আবেগ শব্দ কীভাবে ব্যবহৃত হয়?
ক.স্বাধীনভাবে খ. অনুমোদিতভাবে
গ. নিয়ন্ত্রিতভাবে ঘ. শর্তসাপেক্ষে

২. অনুমোদন, সম্মতি ও সমর্থন প্রকাশ পায় কোন জাতীয় আবেগ শব্দে?
ক. সিদ্ধান্ত আবেগ খ. অলঙ্কার আবেগ
গ.বিম্ময় আবেগ ঘ. সম্বোধন আবেগ

৩. নিচের কোনটি সঠিক?
ক.হ্যা - সিদ্ধান্ত আবেগ খ. শাবাশ - আতঙ্ক আবেগ
গ. আরে _ করুণা আবেগ ঘ. আহা _ বিস্ময় আবেগ

৪. সম্বোধন আবেগ আছে কোন বাক্যে?
ক. ওহে, কী বলেছি, শুনেছ?
খ. নাহ্‌, ওকে নিয়ে আর পারি না।
গ. আরে! তুমি আবার কখন এলে?
ঘ. দুর! ওসব কথা আমি বলিনি।

&. নিচের কোনটি অলংকার আবেগ?
ক. হে বন্ধু, তোমাকে অভিনন্দন ।
খ. আহা! বেচারার এত কষ্ট!
গ. উহ্‌! কী বিপদে পড়া গেল।
ঘ. দূর পাগল! এ কথা কি বলতে আছে?

পরবর্তী পদ প্রকরণ সম্পর্কে জানুন:


মূল পাঠ্য (উৎস):
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (নভেম্বর, ২০২০)
মন্তব্য: নতুন বোর্ড ব্যাকরণ 

যোজক

পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে, সেগুলোকে যোজক বলে। যেমন - এবং, ও, আর, অথবা, তবু, সুতরাং, কারণ, তবে ইত্যাদি।

বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজককে নিম্নলিখিত শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:

১. সাধারণ যোজক: এ ধরনের যোজক দুটি শব্দ বা বাক্যকে যোগ করে । যেমন _
রহিম ও করিম এই কাজটি করেছে।
জলদি দোকানে যাও এবং পাউরুটি কিনে আনো ।

২. বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে । যেমন -
লাল বা নীল কলমটা আনো।
চা না-হয় কফি খান।

৩. বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে । যেমন -
এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না।
তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।

৪. কারণ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ । যেমন -

জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি।

বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।

৫. সাপেক্ষ যৌজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন _
যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।
যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও।

১. যোজক কাকে যুক্ত করে?
ক. পদ
খ. বর্গ
গ. বাক্য
ঘ. সবগুলো

২. বিরোধ যোজক আছে কোন বাক্যে?
ক. সংখ্যাটি সতেরো কিংবা আঠারো হবে।
খ. লোকটি শিক্ষিত, তবে সৎ নন।
গ. যখন বৃষ্টি থাকল, তখন সবাই রওনা হলাম।
ঘ. দুবার বলেছি, ফলে তৃতীয় বার বলার প্রয়োজন বোধ করিনি।

৩. কোন যোজক কার্যকারণ দেখাতে দুটি বাক্যের মধ্যে সংযোগ ঘটায়?
ক. সাধারণ যোজক
খ. বিকল্প যোজক
গ. কারণ যোজক
ঘ. বিরোধ যোজক

৪. কোন যোজক একে অন্যের পরিপূরক হিসাবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়?
ক. কারণ যোজক
খ. বিকল্প যোজক
গ. সাপেক্ষ যোজক
ঘ. কারণ যোজক

৫. “যদি রোদ ওঠে তবে রওনা দেবো” _ বাক্যটি কোন যোজক নির্দেশ করেছেঃ
ক. সাধারণ যোজক 
খ.বিকল্প যোজক
গ. বিরোধ যোজক
ঘ. সাপেক্ষ যোজক

পরবর্তী পদ প্রকরণ সম্পর্কে জানুন:

মূল পাঠ্য (উৎস):
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (নভেম্বর, ২০২০)
মন্তব্য: নতুন বোর্ড ব্যাকরণ 


★ লিংক: ইসলামিক লাইব্রেরি PDF (Google Drive)

bcspedia.blogspot.com

১। স্বপ্ন যাদের বিসিএস – অভিজ্ঞদের পরামর্শ


২। বিসিএস নিয়ে প্রচলিত ১০ ভুল ধারণা


৩। বিসিএস (প্রশাসন)-কে কেন সকল ক্যাডার এর রাজা বলা হয়


৪। যদি কূটনীতিক হতে চাও


৫। বিসিএস প্রিলিমিনারি - বাংলা


৬। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে ২৫ পরামর্শ


৭। ইংরেজির ভয় করতে জয় যা মানতে হয়


৮। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: ইংরেজি সাহিত্য


৯। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: গণিত


১০। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি


১১। বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার কৌশল: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি


১২। সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ অংশে ভালো করার উপায়


১৩। সাধারণ জ্ঞানে অসাধারণ হওয়ার কৌশল


১৪। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নিয়ে কিছু কথা


১৫। বিসিএসের প্রস্তুতি: গাণিতিক যুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি


১৬। ভূগোল ও নৈতিকতায় ভালো করতে চাইলে


১৭। বিসিএসের বই পড়াই সব নয়


১৮। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে



https://english-grammarblog.blogspot.com/2020/08/effective-sentence.html
https://english-grammarblog.blogspot.com/2022/03/all-about-completing-sentences.html
https://english-grammarblog.blogspot.com/2020/12/rules-of-changing-voice-active-to-passive.html
https://www.google.com/search?q=site%3Aenglish-grammarblog.blogspot.com
★ From Google Drive —

BCS Exam Syllabus (Download Now):

BCS Preliminary Test 

Download PDF

BCS Written Exam

Download PDF

https://bcspedia.blogspot.com/2022/04/preposition-shortcut-rules-techniques.html

https://bcspedia.blogspot.com/2020/10/blog-post_222.html

https://t.me/englishgrammarblog

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/full-guidelines-for-bcs-written-examination.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/1st-world-war-and-2nd-world-war.html

https://bcspedia.blogspot.com/search/label/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%20-%20Motivation

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/why-do-muslims-commit-terrorism.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/01/transformation-of-sentences.html

https://bcspedia.blogspot.com/2022/03/bcs-preliminary-test-last-minute-preparation-and-suggestion.html

🔔

https://bcspedia.blogspot.com/search/label/Earn%20Money

 

👍 CATEGORIES ⚝⚝⚝

#ওসমানি #আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান #মিশর #Egypt ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ১. হ্যান্ডনোট এবং তথ্যবহুল চিত্র ১০. নৈতিকতা মূল্যবোধ ও সুশাসন ১১. বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান ২. ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য ৩. বাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ৪০০টি প্রশ্নোত্তর: কম্পিউটার এবং কম্পিউটার-প্রযুক্তি 43rd BCS ৫. ভাইভা বোর্ড ৫. ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ৫২ থেকে ৭১ ৬. সাধারণ বিজ্ঞান ৭ মার্চ ৭. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ৮. গাণিতিক যুক্তি ৯. মানসিক দক্ষতা অনুপ্রেরণা অনুপ্রেরণা - Motivation আইনকানুন আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক চুক্তি আন্তর্জাতিক বিষয়: সীমারেখা আন্তর্জাতিক সীমারেখা আপডেট আপডেট তথ্য আবিষ্কার ও আবিষ্কারক আলোচিত ১১ জন কবি-সাহিত্যিক ও তাঁদের রচনাবলী ইংরেজি ইংরেজি সাহিত্য উপাধি ও ছদ্মনাম এটর্নি জেনারেল এবার যাদের প্রথম বিসিএস কম্পিউটার কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি গণিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম গুরুত্বপূর্ণ শব্দ পরিচিতি চর্যাপদ চর্যাপদের কবিগণ জাতীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের শাখা এবং জনক জ্যামিতিক সূত্র দেশী বিজ্ঞানীরা নদ-নদী নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ পত্রিকা এবং ছদ্মনাম পদ প্রকরণ পররাষ্ট্রনীতি পরামর্শ পরামর্শ V. V. V. I. পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিমিতির (Mensuration) সূত্রাবলিসমূহ পাঁচমিশালী তথ্য + সাধারণ জ্ঞান পারিভাষিক শব্দ পুরাতন ও নতুন নাম প্রতিশব্দ প্রথম প্রকাশিত প্রস্তুতিহীন বিসিএস যাত্রা ফলা এবং যুক্তাক্ষর ফাঁদ প্রশ্ন ফিলিস্তিন Palestine ফ্রান্সের ইসলাম-বিদ্বেষ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বাংলা বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যের মিলবন্ধন বাংলা ব্যাকরণ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বাংলা শব্দার্থ বাংলা সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের দুই মহারথী বাংলাদেশ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাগধারা বানান শুদ্ধিকরণ বিগত পরীক্ষাসমূহ বিপ্লব বিভক্তি বিসিএস পরামর্শ বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতি বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ভাষা আন্দোলন ভূগোল ভৌগোলিক উপনাম ভ্যাকসিন কূটনীতি এবং বাংলাদেশ মডেল টেস্ট মডেলটেস্ট মহাকাশ মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্যকর্ম মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বপূর্ণ খেতাব মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্যভাণ্ডার যুক্ত বর্ণ লিখিত গাইডলাইন লিখিত পরীক্ষা লেখা ও লেখক শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি ও পরামর্শ শ্রেষ্ঠ বাঙালি ✏️✏️ সংবিধান সংবিধান সংশোধনী সদর-দপ্তর সভ্যতা সমাস সাজেশন সাধারণ জ্ঞান সাধারণ বিজ্ঞান সাম্প্রতিক সাহিত্য-উৎসর্গ সাহিত্যিক সাহিত্যে কনফিউশন স্থাপত্য ও স্থপতি স্পোকেন ইংলিশ All Things Review Bangladesh Constitution BCS Preliminary Question Analysis BCS Preparation Special Episodes BCS Questions Earn Money Eat Chew Drink Take Have ? English Grammar English Grammar Exercises with Answers English Grammar Test English Literature Essay Writing General Science ICT Idioms and Phrases International financial institutions Love Stories in Literature Nobel Prize One Word Substitution Preposition Quiz Redundancy বাহুল্য (দোষ) Shortcut to Preposition Spoken English Terrorism Transformation of Sentences 👍 Translation United Nations Vocabulary Warrant of Precedence World Wars

এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ:


Literary Terms 


1. Simile (উপমা):

দুটি আলাদা বস্তু বা দুইজন ব্যক্তির মধ্যে as, like, resemble, the same as ইত্যাদি শব্দগুলাের উল্লেখ করে সরাসরি তুলনা করাকে simile বলে। 

Example -

• I wandered lonely as a cloud. 

• Youth (is) like summer morn.

• My heart is like a singing bird. 

• He is as cunning as a fox. 


2. Metaphor (রূপক):

দুটি আলাদা বস্তু বা দুইজন ব্যক্তির মধ্যে comparision এর শব্দসমূহ (যেমন: as, such, like ইত্যাদি) ব্যবহার না করেই তুলনা করাকে metaphor বলে। 

Example -

• Liza is a rose.

• Life is but a walking shadow. 

• Nazrul is fire.

• My brother was boiling mad. 


Note: একই জাতীয় বিষয়বস্তুর মধ্যে তুলনা হলে ......... Read More 


📓 পুরো আর্টিকেল/পোস্টটি পড়ুন